28.6 C
New York

পাকিস্তানে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন সেটাও বলে দেবেন সেনাপ্রধান!

Published:

এ নির্বাচনে পাকিস্তানের জনগণ বেসামরিক সরকার ও তাদের চালিকা শক্তি সামরিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন। কারাবন্দী ইমরান যে কারামুক্ত ইমরানের চেয়েও বেশি শক্তিশালী, নির্বাচনে সেটাই প্রমাণিত হলো।

৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দল ছিল মুসলিম লিগ-নওয়াজ, বিলাওয়াল ভুট্টোর পিপিপি, এমকিউএম ও অন্যান্য ছোট দল। পিটিআই দলগত নির্বাচন করতে না পারলেও তাদের অনুসারীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়েছেন। উপমহাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতির প্রধান হাতিয়ার হলো দলীয় প্রতীক। অনেক ক্ষেত্রে প্রার্থী ও দলের চেয়ে প্রতীক বড় হয়ে ওঠে।

এই নির্বাচনকে পাকিস্তানের রাজনীতিতে ১৯৭০ সালের পর দ্বিতীয় ব্যালট-বিপ্লব বলেও অভিহিত করেছেন অনেকে। অবিভক্ত পাকিস্তানের সেই নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পুরো পাকিস্তানে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী পিটিআই পেয়েছে ৯৮টি, নওয়াজ শরিফের মুসলিম লিগ ৬৯টি ও বিলাওয়াল ভুট্টোর পিপলস পার্টি ৫১টি আসন পেয়ে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে আছে। মুসলিম লিগ ও পিপলস পার্টির প্রার্থীরা দলীয় প্রতীকে ভোট করলেও পিটিআইকে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। পিটিআই সমর্থকেরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়েছেন। উপমহাদেশের নির্বাচনে ভোটারেরা প্রার্থীর চেয়ে দলীয় প্রতীককে বেশি চেনেন। তাঁদের কাছে প্রার্থীর চেয়ে দলীয় প্রধান কিংবা দলীয় প্রতীক অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সে ক্ষেত্রে পিটিআই দলগত নির্বাচন করার সুযোগ পেলে আরও ভালো করত বলে নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা মনে করেন।

Related articles

Recent articles

spot_img