-0.6 C
New York

পণ্য রপ্তানির আড়ালে অর্থ পাচার 

Published:

রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানটির রপ্তানির সব তথ্য সংগ্রহ করেছে প্রথম আলো। সেসব পর্যালোচনায় দেখা যায়, তাদের প্রথম চালান পণ্য পাঠানো হয় ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে। বুধবার পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির নামে ৬৮৬টি চালানে মোট রপ্তানি হয়েছে ২ কোটি ৫১ লাখ ডলার বা ২৪৪ কোটি টাকার পোশাক।  

তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, রপ্তানিকারকের পক্ষে মনোনীত দু-তিনটি সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান নথিপত্রের কাজ করত। তবে আগস্ট থেকে পাল্টে যেতে থাকে এই চিত্র। প্রতি মাসে গড়ে ৪৮টি চালান রপ্তানি শুরু হয়। কোনো মাসে দিনে রপ্তানি চালানের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩। এ সময়ে রপ্তানিকারকের পক্ষে নথিপত্র জমা দেওয়ার কাজ করেছে ২২টি প্রতিষ্ঠান। 

সাধারণত ছোট রপ্তানিকারকের কাজ সামাল দেওয়ার জন্য বড়জোর তিনটি সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেয় কাস্টমস। তাই একটি ছোট প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এতগুলো সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানের কাজ করা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। কাস্টমস কর্মকর্তারাও বলছেন, রপ্তানিকারক ও তাদের মনোনীত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট জড়িত না থাকলে কোনো প্রতিষ্ঠানের নামে এভাবে রপ্তানি করা সম্ভব নয়। বিষয়টি জানিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে মতামত জানতে চাইলেও সাড়া দেননি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের সিইও এম এ মাসুদ। 

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকে ভারত, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোতে পোশাক রপ্তানি করত। প্রতিষ্ঠানটির নাম ব্যবহার করে যেসব চালান পাঠানো হয়েছে, সেগুলোর গন্তব্য ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরব ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলো। 

Related articles

Recent articles

spot_img