10 C
New York

নৌকা ও ট্রাকের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস

Published:

পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার জিরো পয়েন্ট এলাকার একটি চায়ের দোকানে বসে চা–পান করছিলেন নানা বয়সী ছয় থেকে সাতজন। আড্ডার মূল বিষয়, সোমবারের নির্বাচন। কারও মুখে নৌকার প্রার্থী শহীদুজ্জামান সরকারের গুণগান, আবার কারও মুখে স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতারুল আলমের গুণগান।

ষাটোর্ধ্ব হাকিম মণ্ডল বলে উঠলেন, ‘পত্নীতলা-ধামইরহাটে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সমানে-সমান। বিএনপি না এলেও আওয়ামী লীগের প্রার্থীর এবার ঘুম নাই। এখানে আওয়ামী লীগের যত ভোট আছে, সেই ভোটগুলো ভাগাভাগি হয়ে গেছে। এবার ভোটত অনেক হিসাব-নিকাশ হবে। নৌকা কিংবা ট্রাক, যেই জিতুক না ক্যান, অনেক কম ভোটের ব্যবধানে জিতবে।’

রফিকুল ইসলাম নামের এক যুবক বলেন, ‘এবার ভোটত খেলা ভালোই জমিছে। আগের মতো নৌকা আর ফাঁকা মাঠত গোল দিতে পারতেছে না। শেয়ানে-শেয়ানে লড়াই হবে। নৌকার সঙ্গে ঈগলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে প্রতিটি কেন্দ্রে।’

ভোটের এই আলোচনা পত্নীতলা ও ধামইরহাট উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে। নজিপুর পৌরসভার কলেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা কলেজশিক্ষক জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘৭ জানুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লোকজনের মধ্যে একটা উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল। ভোট স্থগিত হয়ে যাওয়ার পর ভোট নিয়ে মানুষের তেমন আগ্রহ ছিল না। ভোটের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচারণা ততই জমজমাট হচ্ছে। ভোটারদের মধ্যে ভোট নিয়ে আগ্রহও বাড়ছে। মনে হচ্ছে, ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ভালোই হবে।’

Related articles

Recent articles

spot_img