9.9 C
New York

নিরপেক্ষ সংস্থা দিয়ে তদন্ত হোক

Published:

অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য সাবেক উপাচার্য শিরীণ আখতার মেয়াদের শেষ দিনে ৩৭ জনকে কোনো নিয়মনীতি না মেনেই নিয়োগ দিয়ে যান, যাঁদের মধ্যে ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরাও আছেন। ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতার তাঁর পায়ের ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়ার ছবি ভাইরাল হয়েছে, যা যেকোনো ব্যক্তি বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য অপমানকর। সাবেক এই উপাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ছাত্রলীগের মাস্তানি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দিয়েছেন। তাঁর সময়ে ছাত্রলীগের উপদলীয় কোন্দলে হত্যার ঘটনাও ঘটেছে।

অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য শারফুদ্দিন আহমেদ দায়িত্বে থাকাকালে তাঁর বিরুদ্ধে নিয়োগ–বাণিজ্যের অভিযোগ এনে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সদস্যরা তাঁর কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছেন। বিক্ষোভকারীদের হাতে উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী নিগৃহীত হয়েছেন বলেও সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে।

কেবল এই তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই যে উপাচার্যরা অনিয়ম করছেন, তা–ই নয়। প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের প্রথম কাজ হয়ে পড়ে সরকার সমর্থক ছাত্রসংগঠনটির নেতা–কর্মীদের তোয়াজ করা এবং তাঁদের অন্যায় আবদার পূরণ করা। তাঁদের দ্বিতীয় কাজ হলো শিক্ষক–কর্মচারীদের মধ্যে নিজস্ব বলয় তৈরি করা। যাঁরা এই বলয়ের বাইরে থাকবেন, তাঁদের নানাভাবে নাজেহাল হতে হয়, যার সাম্প্রতিক উদাহরণ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য তাঁর ভাষায় ছাত্রলীগের চাপে ৩৭ জনকে নিয়োগ দিয়ে দ্বিতীয় নজির সৃষ্টি করেছেন। প্রথম নজির সৃষ্টি করেছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাবেক উপাচার্য।

Related articles

Recent articles

spot_img