4 C
New York

নতুন শিক্ষাক্রম কতটা বাস্তবসম্মত | প্রথম আলো

Published:

দশম শ্রেণিতে একটি পাবলিক পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেখানে শিখনকালীন ও সামষ্টিক মূল্যায়ন ধরা হয়েছে ৫০ শতাংশ করে। অন্যদিকে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি পাঠ্যক্রমের ব্যাখ্যা চলতি রূপরেখাসম্পন্ন থাকলেও এই দুই শ্রেণি শেষে পৃথক পৃথক পাবলিক পরীক্ষায় ৩০ শতাংশ শিখনকালীন আর ৭০ শতাংশ সামষ্টিক মূল্যায়নে থাকছে সমন্বিত ফলাফল।

আশা করি এই আলোচনার মধ্যে পাঠকেরা জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখাবিষয়ক একটি সম্মুখ ধারণা পাবেন। ফলে পরবর্তী আলোচনা করতে আমার সুবিধা হবে।

আমি আগেও বলেছি, ‘আবারও বলছি, আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারকে আমি স্বাগত জানাই। দীর্ঘদিন আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা শিক্ষার মূল্যায়নের প্রধানতম অনুষঙ্গ হিসেবে পরীক্ষার ফলাফলকে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। যদিও এই সব জিপিএ ফলাফল আমাদের প্রজন্মকে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে না। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা পরীক্ষানির্ভর শিক্ষাকে গিলছিল বেশ। তবে দক্ষ ও চাক্ষুষ জনশক্তি না তৈরি হওয়ায় দিনে দিনে ‘শিক্ষাব্যবস্থায়’ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠছিল, সেই জায়গায় থেকে বের হয়ে নতুন শিক্ষাক্রম চাওয়া আমাদের দীর্ঘদিনের। যে শিক্ষাক্রম হবে সময়োপযোগী, যা হবে বাস্তবতার আদলে।

নতুন শিক্ষাক্রমে সেই বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিলেও এই শিক্ষাক্রম এখনো অসম্পন্ন, বিতর্কিত এবং বাস্তবতার নিরিখে হয়নি। শিক্ষাক্রমে ঠিক কোন, কী বিষয়গুলো সমালোচনার জন্ম দিচ্ছে, সে বিষয়ে আলোচনা করার আগে পাঠক চলুন দেখে আসি, আমাদের নতুন শিক্ষাক্রম কাদের দেখে অনুসরিত হচ্ছে?

Related articles

Recent articles

spot_img