6.9 C
New York

দেশবাসীর মুখে নিরাপদ খাদ্য তুলে দিতে কতটা ভূমিকা রাখছে খাদ্য কর্তৃপক্ষ

Published:

যুক্তরাজ্যের ইকোনমিস্ট ইমপ্যাক্টের বৈশ্বিক খাদ্যনিরাপত্তা সূচক ২০২২ অনুযায়ী, গুণমান ও নিরাপদ বিবেচনায় বিশ্বের ১১৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৭১তম। প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার (৬৫তম) ও ভারতের (৬৭তম) চেয়েও বাংলাদেশের খাদ্য বেশি অনিরাপদ।

এ অবস্থায় আজ শুক্রবার দেশে ‘জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস’ পালিত হচ্ছে।
দেশে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিএফএসএ গঠন করা হয়। আইনে বলা হয়েছে, ‘খাদ্য উৎপাদন, আমদানি, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত, সরবরাহ, বিপণন ও বিক্রয়–সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সমন্বয়ের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ’ করবে বিএফএসএ।

জানা গেছে, নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে ১৮টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থা এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের ৪৮৬টির বেশি প্রতিষ্ঠান জড়িত। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে খাদ্যনিরাপত্তায় ভূমিকা রাখে—এমন আরও অসংখ্য দেশি–বিদেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। অথচ এ পর্যন্ত মাত্র সাতটি সরকারি, চারটি বেসরকারি ও চারটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক করতে পেরেছে কর্তৃপক্ষ।

বিএফএসএর পরিচালক (খাদ্য পরীক্ষাগার নেটওয়ার্ক সমন্বয়) সহদেব চন্দ্র সাহা প্রথম আলোকে বলেন, ‘সবার সঙ্গে সমঝোতা করতে হবে, নইলে কাজ করতে পারব না—এমন কোনো কথা নেই।’ তবে অর্পিত দায়িত্ব যে কর্তৃপক্ষ পুরোপুরি পালন করতে পারছে না, সেটা স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজের পরিধি বাড়ছে। কিন্তু আমরা এখনো সোল অথরিটি (একমাত্র কর্তৃপক্ষ) হতে পারিনি। সময় দিতে হবে।’

Related articles

Recent articles

spot_img