7.5 C
New York

দেড়-দুই বছর ধরে সেই জোয়ার লক্ষ করছি: হাবিব

Published:

ফেরদৌস ওয়াহিদ ও হাবিব ওয়াহিদ

হাবিব ওয়াহিদ : অডিও গান জনপ্রিয়তা পাচ্ছে না, এটি যে পুরোপুরি সঠিক, তা নয়। এরই মধ্যে মুজা, জেফারসহ বেশ কিছু শিল্পীর গান শ্রোতাদের মধ্যে চর্চা হচ্ছে। তা ছাড়া কোক স্টুডিওর গানও তো শ্রোতা-দর্শক শুনছেন। অডিও গানের সঙ্গে ভিডিওর ব্যাপারটা সঠিকভাবে হতে হবে। যেটি এ সময়ে অডিও গানের ক্ষেত্রে কিছুটা দুর্বলতা আছে। অথচ ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত দারুণ জমজমাট ছিল অডিও গান। ওই সময়টাতে বিভিন্ন শিল্পীর সব দারুণ দারুণ ভিডিও গান দেশের আনাচকানাচে পৌঁছেছে। আবার সব সিনেমার গানই যে এখন সমানভাবে দর্শক নিচ্ছেন, তা কিন্তু নয়। সবকিছুর একটা ম্যাটার অব কমিউনিকেশন লাগে। সিনেমার গান বা অডিওতে সঠিক উপাদান থাকতে হবে। সেটি হলে উভয় সেক্টরেই ভালো করা সম্ভব।

প্রথম আলো :

একসময় নিয়মিতই সিনেমার গান করতেন। ‘হৃদয়ের কথা’, ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’, ‘প্রজাপতি’, ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’সহ অনেক ছবির জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। এখন সেভাবে কাজ করেন না কেন?

হাবিব ওয়াহিদ : আমি যখন শুরু করি সেই সময় থেকে টানা একটা সময় পর্যন্ত সিনেমার গানের জোয়ার ছিল। কিন্তু মাঝে একটা সময় এসে সিনেমার সেই জোয়ারটা থেমে যায়। সিনেমার অবস্থা কিছুটা এলোমেলো হয়ে যায়। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে সেই সুদিন আবার ফিরে আসছে। দেড়-দুই বছর ধরে সেই জোয়ার লক্ষ করছি। সেই জায়গা থেকে সিনেমার কোনো ভালো প্রজেক্ট পেলে কাজ করব। মাঝের সময়টাতে আমাকে সিনেমার কাজে টানে নাই। টানতে হলে তো ওই জিনিসের ওপর বিশ্বাস থাকতে হয়। একটি গান আমি কষ্ট করে তৈরি করব, সেটি সবার কাছে পৌঁছাবে, সেই বিশ্বাস মাঝের সময়টিতে পাইনি আমি।

হাবিব ওয়াহিদ
ফেসবুক থেকে

প্রথম আলো :

সম্প্রতি আপনার ছেলে আলীম ওয়াহিদকে মঞ্চে ড্রাম বাজাতে দেখা গেছে। সেই মঞ্চে আপনি ও আপনার বাবা ফেরদৌস ওয়াহিদও উপস্থিত ছিলেন। ছেলেকে নিয়ে আপনার স্বপ্ন কী?

হাবিব ওয়াহিদ : আলীম নিজে নিজেই শেখে। আমি যেমন আবার বাবাকে দেখে উৎসাহিত, ও হয়তো আমাকে দেখে উৎসাহিত। আমার যত শো হয়, সব শোতেই ও যায়। যেতে যেতে টিম মেম্বারের মতোই হয়ে গেছে। শোতে যখন সাউন্ড চেক করা হয়, ওই সময় ও খুব মজা করে ড্রামটা বাজায়। আমি কখনোই ওকে বাজানোর ব্যাপারে কিছু বলি না। ও স্বাভাবিকভাবে কতটুকু পারে, সেটাই দেখতে চাই আমি। আমি তো ওভাবেই শিখেছি। তাই ভাবি, ও যদি মিউজিকে জড়াতে চায়, ওভাবেই শিখবে। ওর ওপর কোনো কিছু চাপিয়ে দেব না। আর ওই ভিডিওটি ছিল আমার ছেলের স্কুলের ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানের। ও তো এখনো পাকাপোক্ত বাজায় না। কোনো পেশাদার শোতে তাকে ওঠাই না। ওই অনুষ্ঠান স্কুলেরই ছিল। একেবারেই উপযুক্তভাবে না বাজাতে পারলেও স্কুলের ছাত্র হিসেবে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টির ব্যাপার ছিল। এ কারণেই সে বাজিয়েছে। তবে আমরা তিন প্রজন্ম একসঙ্গে স্টেজে গান করেছি, এটি আমাদের জন্য গর্বের।

Related articles

Recent articles

spot_img