5.1 C
New York

দুই আসনে স্বতন্ত্রের চাপ, নির্ভার মতিয়া

Published:

নকলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ বলেন, ‘মতিয়া চৌধুরী একজন সৎ, যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থী। দলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মী তাঁর (মতিয়া) পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। তাই তিনি (মতিয়া) বিপুল ভোটে বিজয় লাভ করবেন বলে আমরা আশা করছি।’

শেরপুর-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা ৬। তাঁদের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ ডি এম শহিদুল ইসলাম (নৌকা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম আবদুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইমের (ট্রাক) মধ্যে মূল লড়াই হবে বলে ভোটাররা মনে করছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শহিদুল ইসলাম শ্রীবরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানও ছিলেন। অপর দিকে আবদুল্লাহেল ওয়ারেজ ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনিও ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা বিভক্ত হয়ে এই দুই প্রার্থীর পক্ষেই নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিচ্ছেন। তবে ঝিনাইগাতীর চেয়ে শ্রীবরদী উপজেলার ভোটার সংখ্যা বেশি। এদিক থেকে শহিদুল কিছুটা হলেও সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। তবে ওয়ারেজ নাঈম নৌকাবিরোধী ভোটারদের তাঁর অনুকূলে টানার চেষ্টা করছেন।

আবদুল্লাহেল ওয়ারেজ বলেন, বর্তমান সংসদ সদস্য এলাকায় কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নকাজ করেননি। এমনকি এলাকাতেও তেমন একটা আসেননি। ফলে এ দুই উপজেলা অবহেলিত রয়ে গেছে। তিনি নির্বাচিত হলে কলকারখানা স্থাপনসহ নানা উদ্যোগ নেবেন। আর শহিদুল ইসলাম বলেন, ভোটারদের মধ্যে নৌকার গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি চন্দন কুমার পাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। ফলে দলের অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তবে তাঁরা মনে করেন, জনগণ নৌকাকে সব সময় পছন্দ করেন এবং নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে বিজয়ী করবেন।

Related articles

Recent articles

spot_img