5.1 C
New York

‘দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে নদী ধ্বংসে সহযোগিতার প্রবণতা আছে’

Published:

লিখিত বক্তব্যে সোনাই নদ রক্ষায় বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা তুলে ধরা হয়। তাতে বলা হয়, আন্তসীমান্ত অভিন্ন নদীর ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা লক্ষণীয়। স্থানীয় পর্যায় থেকে শুরু করে প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে নদী সংরক্ষণের পরিবর্তে নদী ধ্বংসে সহযোগিতার প্রবণতা দেখা যায়। নদীর প্রতি অবহেলায় সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং রাজনৈতিক নেতারা উভয়ের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। নদী সংরক্ষণে গণমাধ্যমসহ সামাজিক ও সরকারি নানা পর্যায়ের ইতিবাচক উদ্যোগও রয়েছে, কিন্তু তা যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয় না। নদী সংরক্ষণের জন্য গৃহীত প্রকল্পসমূহ নদীর স্থায়ী ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। দেশে অন্যান্য নদী দখল হওয়ার ক্ষেত্রে এসব বিষয় কাজ করে বলে মনে করে ধরা।

নদী দখল করে যারা বাড়ি বা কারখানা বানায়, তা বন্ধে তাদের সঙ্গে সরাসরি আলাপ করার পরামর্শ দেন যুক্তরাষ্ট্রের টেম্পল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও ধরার উপদেষ্টা কমিটির সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ। নদী রক্ষায় আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘প্রথমেই আক্রমণ না করে, আলাপ করেও অনেক নদী দখল ঠেকানো সম্ভব।’
যুক্তরাষ্ট্রেও নদী দখলের মতো ঘটনা ঘটে উল্লেখ করে জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, সিনেটররা পয়সা খেয়ে দখলের সুযোগ করে দেন। তারপরও অনেক দখল আটকে যায়। কারণ হলো, সাধারণ মানুষ আদালতে যান, তখন আটকে যায়। আমাদের দেশেও সাধারণ মানুষকে নদীর এভাবে ভূমিকা রাখতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

দেশের প্রচলিত পদ্ধতির মধ্যে কিছু গলদ রয়েছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের বেসরকারি উপদেষ্টা ও ধরার কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সহ–আহ্বায়ক এম এস সিদ্দিকী। তিনি বলেন, নদীর রক্ষার দায়িত্ব বিআইডব্লিউটিএর। কিন্তু নদীর ইজারা দেয় জেলা প্রশাসন।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গোলাম সোবহান চৌধুরী, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী ও চুনতি রক্ষায় আমরা’র সমন্বয়ক সানজিদা রহমান।

Related articles

Recent articles

spot_img