22 C
New York

দাম ভালো, তাই বেশি চামড়া সংগ্রহের আশা ব্যবসায়ীদের

Published:

চামড়া সংগ্রহে নানা ধাপ

রাজধানীর অদূরে সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়াশিল্প নগরী-সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১০০টি চামড়া সংগ্রহের আড়ত আছে। কয়েক বছরের মধ্যে এসব আড়ত গড়ে উঠেছে। পোস্তা এলাকা থেকেও অনেকে সেখানে গেছেন। ব্যবসায়ীরা বলেন, দেশে এটিই এখন চামড়া সংগ্রহের বড় জায়গা। পোস্তার মতো সেখানেও আড়তগুলো ধুয়েমুছে তৈরি করা হয়েছে।

কোরবানির পর বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানার লোকেরা বা মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বিক্রির জন্য কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করেন। এরপর তা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী বেচাকেনার হাটে নিয়ে যান তাঁরা। সেখান থেকে বিভিন্ন ট্যানারি প্রতিষ্ঠান, আড়তদার ও ব্যাপারীরা একপ্রকার অনুমাননির্ভর দামে কাঁচা চামড়া কিনে তা লবণ দেন। পরবর্তী সময়ে এই লবণ দেওয়া চামড়া নির্ধারিত দামে ট্যানারিতে বিক্রি করা হয়।

ব্যবসায়ীরা বলেন, ঠিকভাবে সংরক্ষণ না করায় প্রতিবছর ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কোরবানির চামড়া নষ্ট হয়। ঢাকার বাইরের জেলাগুলোয় চামড়ার দাম একটু কম থাকে। তাই অনেকে বেশি দামের আশায় রাজধানীতে কাঁচা চামড়ানিয়ে আসেন। এতে অনেক সময় চামড়ার গুণগত মান কমে যায় বা নষ্ট হয়। এ জন্য নিকটস্থ এলাকাতেই চামড়া বিক্রি ও লবণ দেওয়ার পরামর্শ দেন ব্যবসায়ীরা।

পোস্তার কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আফতাব খান বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি নিয়েছি। সাভার, হেমায়েতপুর, আমিনবাজার, বেড়িবাঁধ, জিঞ্জিরা, কেরানীগঞ্জ, টঙ্গী, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জসহ ঢাকার আশপাশের বেশ কিছু এলাকায় লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণের ব্যবস্থা রেখেছি।’

Related articles

Recent articles

spot_img