10.9 C
New York

‘থলে থেকে বিড়াল’ বেরোচ্ছেই | প্রথম আলো

Published:

ভারতে নির্বাচনী বন্ড নিয়ে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। যত দিন যাচ্ছে, তত উঠছে নতুন নতুন প্রশ্ন। সংশয় জাগছে বন্ডের দাতা আর গ্রহীতার পরিচয় ও সম্পর্ক গোপন রাখতে শাসক দল বিজেপি কেন এত ব্যগ্র ছিল, তা নিয়ে।

শাসক দল বিজেপি চার রকমভাবে চাপ দিয়ে চাঁদাবাজি করেছে বলে প্রচার চালাচ্ছে কংগ্রেস। প্রথমটি, ‘চান্দা দো, ধান্দা লো’। মানে, পার্টিকে চাঁদা দাও, তার বদলে সরকারি প্রকল্পের ঠিকাদারি পাও। দ্বিতীয়ত, ‘ঠেকা লো, রিশবত দো’। ঠেকা অর্থাৎ কাজের বরাত নাও, তারপর রিশবত অর্থাৎ ঘুষ দাও। তৃতীয়ত, ‘হপ্তা উসুল’। প্রথমে ইডি, সিবিআই বা আয়কর বিভাগের মতো তদন্তকারী সংস্থা হানা দেবে। চাঁদা দিলে সব ধামাচাপা পড়ে যাবে। চতুর্থত, ভুয়া সংস্থার কাছ থেকে চাঁদা নেওয়া। কংগ্রেস বলছে, তারা মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে এক বিশেষ সফটওয়্যারের (পাইথন) সাহায্যে চাঁদার দাতা ও গ্রহীতার সম্পর্ক বের করে ফেলেছে। জেনে গেছে কোন সংস্থা কখন কোন পরিস্থিতিতে কত টাকার বন্ড কিনেছে ও কোন রাজনৈতিক দলকে তা দিয়েছে।

কংগ্রেস মুখপাত্র জয়রাম রমেশ এই দাবি জানিয়ে বলেছেন, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (এসবিআই) এই তথ্য প্রকাশের জন্য তিন–চার মাস সময় চেয়েছিল। বেশ বোঝা যাচ্ছে, সরকারের চাপে পড়ে তারা কিছুতেই ভোটের আগে এসব তথ্য দিতে চাইছিল না। জয়রাম বলেন, বন্ড চালু করে যিনি কালো টাকার ঝনঝনানি বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি আসলে এই দুর্নীতিকেই আইনি তকমা দিতে চেয়েছিলেন। এখন ধরা পড়ার পর তা লুকাতে প্রাণপাত করছেন।

Related articles

Recent articles

spot_img