20.8 C
New York

তিন বন্ধুর সিজিপিএ একই, যুক্তরাষ্ট্রে বৃত্তি নিয়ে পিএইচডির সুযোগও পেলেন একসঙ্গে

Published:

মো: নাঈম হোসেন বলেন, ‘বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় প্রতিযোগিতামূলক অ্যাডমিশনে সুযোগ পেতে হলে দরকার সামষ্টিক একটা প্রোফাইল। বিশেষ করে বিজনেসের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি আরও জরুরি। কোনো ফ্যাক্টরই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়, যেমন সিজিপিএ, পাবলিকেশন, জিআরই, প্রাসঙ্গিক কাজের অভিজ্ঞতা, আইইএলটিএস, রিকমেন্ডেশন লেটার, স্টেটমেন্ট অব পারপাস ইত্যাদি। যাঁরা উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী, তাঁদের উচিত অনার্স দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় বর্ষ থেকেই এসব বিষয় নিয়ে কাজ শুরু করা। প্রথম বর্ষ থেকে শুরু করলে আরও ভালো হয়। নিজের প্রোফাইল অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা করা উচিত। দেখা গেল আপনার প্রোফাইল মডারেট লেভেলের, সে ক্ষেত্রে আপনি হার্ভার্ড বা এমআইটিতে আবেদন করলেন, আপনার আবেদন রিজেকশনের হার অনেক বেশি থাকবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের বিজনেস পিএইচডি প্রোগ্রামগুলো তীব্র প্রতিযোগিতাপূর্ণ হয়, ফিন্যান্স প্রোগ্রামগুলো আরও বেশি প্রতিযোগিতাপূর্ণ। কারণ, তারা বছরে একবারই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্টুডেন্ট নেয়, তা–ও আবার মাত্র ২-৩ জন, কিছু কিছু প্রোগ্রামে একজনও নেয়, যেখানে বিশ্বের নামীদামি সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আবেদন করে থাকেন। এই তীব্র প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিজনেস ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্রে স্কলারশিপ পেতে কীভাবে প্রস্তুতি নিয়েছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে মো. মামুনুর রশিদ বলেন, ‘আমাদের তিনজনের উচ্চ জিআরই ও আইইএলটিএস স্কোর ছিল না। তবুও আমরা মনোবল হারায়নি। আমরা আমাদের গবেষণাপত্রগুলোকে ভালোভাবে ফোকাস করার চেষ্টা করেছি। আমাদের সিজিপিএ নিয়েও কোনো ঝামেলা ছিল না। কারণ, তিনজনের সিজিপিএই ভালো। আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হচ্ছে রিকমেন্ডেশন লেটার ও স্টেটমেন্ট অব পারপাস (এসওপি)। বিশ্বের বিভিন্ন নামীদামি গবেষকের সঙ্গে কাজ করার সুবাদে তাঁদের সঙ্গে ভালো একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, সুইডেন এবং আরও কিছু দেশের গবেষকের কাছ থেকে আমরা রিকমেন্ডেশন লেটার নিতে পারি। এসওপিতে আমরা যথেষ্ট সময় দিয়েছি। আমরা নিজেরা লিখেছি, তারপর আমেরিকাতে যাঁরা পিএইচডি করতেছেন, তাঁদের কাছ থেকে আমাদের এসওপি রিভিউ করিয়ে নিয়েছি।’

Related articles

Recent articles

spot_img