3.3 C
New York

তরুণ উদ্যোক্তারা যেভাবে পর্যটনশিল্পকে বদলে দিচ্ছেন

Published:

নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী দেশের ক্ষুদ্র পরিসরে পরিবেশবান্ধব পর্যটনশিল্প বিকাশে কাজ করছেন একদল তরুণ। পরিবেশের ক্ষতি না করে পর্যটনশিল্পের বিকাশে তাঁরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এটাই সঠিক সময় সরকারিভাবে এগিয়ে আসা, তাহলে সামগ্রিকভাবে দেশের পর্যটনশিল্প লাভবান হবে। পর্যটনশিল্পও এগিয়ে যাবে, পরিবেশেরও ক্ষতি হবে না—বিষয়টি নিশ্চিত করতে পর্যটনবান্ধবখ্যাত অন্য দেশগুলোর অভিজ্ঞতা ও নীতিমালা অনুসরণ করা যেতে যারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব ‘ইকোট্যুরিজম’ নিয়ে কাজ করা বহু তরুণ মিলে গড়ে তুলেছেন নতুন কমিউনিটি ই-ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-টাব)। ১১২ তরুণ ট্যুর অপারেটর/এজেন্সি মিলে চেষ্টা করছেন বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের বিকাশে। নিরাপদ ও পর্যটকবান্ধব নানা স্থাপনা গড়েছেন সাজেক ভ্যালি, সেন্ট মার্টিন, টাঙ্গুয়ার হাওর, হবিগঞ্জ, সুন্দরবনের মতো দেশের বিভিন্ন জায়গায়।

ই-টাবের সভাপতি ইমরানুল আলমের মতে, একটা দেশের অর্থনীতির বড় ধরনের অংশীদার হতে পারে সেই দেশের পর্যটনশিল্প। থাইল্যান্ড, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপসহ বিশ্বের আরও অনেক দেশের অর্থনীতির বড় জোগান আসে পর্যটন থেকেই। বাংলাদেশের অধিক জনসংখ্যা ও অনেক পর্যটন সম্ভাবনাময় জায়গার দরুন দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের জন্য বাংলাদেশের পর্যটন দারুণ সম্ভাবনার একটা জায়গা। ক্যারিয়ার হিসেবেও অন্য সব পেশার সঙ্গে এখন সম্মানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ট্যুরিজম। নানা সীমাবদ্ধতা নিয়েও যেভাবে তরুণেরা কাজ করছেন, রাষ্ট্রীয় ও সামাজিকভাবে সহায়তা পেলে পর্যটনেও বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে অন্য উচ্চতায় যাবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি।

Related articles

Recent articles

spot_img