11.6 C
New York

ড. ইউনূসসহ চারজন বিদেশে যেতে চাইলে আদালতকে জানাতে হবে

Published:

শুনানিতে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, রায়ে দুটি দিক থাকে। একটি সাজা ও অন্যটি দণ্ড। আপিল ট্রাইব্যুনাল দুটিই স্থগিত করে দিয়েছেন, যে কারণে আমরা (বাদীপক্ষ) সংক্ষুব্ধ। পুরো রায় স্থগিত করায় দোষী সাব্যস্ত করে দেওয়া সাজার রায় অস্তিত্বহীন হয়ে গেছে। কনভিকশন (দোষী সাব্যস্তকরণ) স্থগিত হয় না। অনেক সময় সেনটেন্স (দণ্ড) স্থগিত হয়। আপিল ট্রাইব্যুনাল পুরো রায় স্থগিত করতে পারেন না। এটি উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত ও ফৌজদারি কার্যবিধির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আবেদনের প্রার্থনা অংশ তুলে ধরে খুরশীদ আলম খান সাজার রায়ের বিরুদ্ধে ড. ইউনূসহ চারজনের আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য নির্দেশনা চাওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আদালতের অনুমতি ছাড়া তাঁরা যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন, সে বিষয়ে নির্দেশনার আরজি জানান।

শুনানিতে ড. ইউনূসসহ চারজনের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশে ভুল থাকলে তা সংশোধনযোগ্য। এ জন্য সেখানে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সেখানে আবেদন করার পর তা বিবেচনা না করলে উচ্চ আদালতে আসা যেত। এ অবস্থায় করা আবেদনটি ‘আনবর্নড বেবি’। ট্রাইব্যুনালে আবেদন করে ফল না পেয়ে উচ্চ আদালতে এলে তা হতো জীবিত শিশু। এই আবেদনের মাধ্যমে আপিল আদালতের ক্ষমতা খর্ব করতে চাইছে। কেননা ট্রাইবুন্যালে তারা আবেদন করেনি। দ্রুত আপিল নিষ্পত্তির নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এতে করে বিচারব্যবস্থা আইনি প্রক্রিয়ায় বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। কেননা চারজনের করা আপিল নিষ্পত্তিতে তো দেরি হচ্ছে না। এ ছাড়া বাদীপক্ষের প্রতি নোটিশ জারির বিষয়টিও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এতে বিচারকাজ ত্বরান্বিত হবে। যতবার তিনি বিদেশে গেছেন, আদালতের অনুমতি লাগেনি। ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৫ ধারা অনুযায়ী আইনজীবীর মাধ্যমে উপস্থিত থাকার অনুমতি নিয়েছেন। তাই শুধু হয়রানির জন্য এই আবেদন, যার ভিত্তি নেই। আবেদনটি খারিজযোগ্য।

Related articles

Recent articles

spot_img