9.2 C
New York

ঠেকানো যাচ্ছে না মধু চুরি

Published:

বুড়িগোয়ালিনী এলাকায় সুন্দরবনের মধু বিক্রি করছিলেন এক মৌয়াল। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানান, তিনি ১০ বছর ধরে মৌসুমে সুন্দরবন থেকে মধু আহরণ করছেন। তাঁরা চারজন ১৬ মার্চ সুন্দরবনে ঢুকে দুই মণ মধু আহরণ করেছেন বলে জানান। মৌসুমের আগেই চাক কাটলে মধু কম পাওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, এপ্রিলের আগে চাকে মধু কম পাওয়া গেলেও বনে অনেক চাক পাওয়া যায়। ইচ্ছেমতো মধু আহরণ করা যায়। এ সময় একটি চাকে ৪০০ গ্রাম থেকে এক কেজি পর্যন্ত মধু পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে সুন্দরবনে খলিসা, লতা, হেতালি ও গরান ফুলের মধু সহজে সংগ্রহ করা যাচ্ছে। তাঁরা প্রতি কেজি মধু ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন বলে জানান। তবে এই মৌয়াল জানান, এসব চাক থেকে এপ্রিলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সপ্তাহে মধু আহরণ করলে প্রতি চাকে সর্বনিম্ন পাঁচ কেজি করে মধু পাওয়া যেত।

চানতে চাইলে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা নূরুল আলম বলেন, ১ এপ্রিল থেকে মধু আহরণ শুরু হয়। কিন্তু তার আগেই চুরি করে একাধিক চক্র মধু আহরণ করছে। চুরি বন্ধ করতে হলে মধু আহরণের দুই মাস সুন্দরবনের নদ-নদীতে মাছ ও কাঁকড়া ধরার পাস (অনুমতি) বন্ধ রাখতে রাখতে হবে।

নূরুল আলম আরও জানান, যে চাকে কমপক্ষে পাঁচ কেজি মধু পাওয়া যেত, এপ্রিলের আগে মধু আহরণ করলে ওই চাকে ৫০০ গ্রামের বেশি মধু পাওয়া যায় না। সাতক্ষীরা রেঞ্জ থেকে এপ্রিল-মে মাসে যে পরিমাণ মধু আহরণ হয়, চুরি করে আগেই তার ৪০-৫০ ভাগ মধু আহরণ করছে এসব চক্র। লোকবলসংকটের কারণে চুরি ঠেকাতে পারছেন না এই কর্মকর্তা অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন।

Related articles

Recent articles

spot_img