6.7 C
New York

জয়–পরাজয়ের নিয়ামক চা-শ্রমিকদের ভোট | প্রথম আলো

Published:

দলের একাধিক সূত্র আরও জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ঘরানার দুজন প্রার্থী হওয়ার কারণে দলের নেতা-কর্মীরা বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। মাধবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও মাধবপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র শাহ মোহাম্মদ মুসলিম, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বহরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন, মাধবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক আতাউস সামাদ ও চুনারুঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রজব আলীসহ অনেকে সায়েদুল হকের পক্ষে কাজ করছেন।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রীর কাছে গেলে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত সহকারীর সঙ্গে কথা বলতে বলেন। এতে দুর্ভোগ বাড়ে। প্রতিমন্ত্রী আবার যদি সংসদ সদস্য হন, তা হলে মানুষ অবহেলার শিকার হবে। তাই দলের স্বতন্ত্র প্রার্থী সায়েদুল হকের জন্য কাজ করছি। সে তরুণ ও শিক্ষিত মানুষ। তিনি এলাকার মানুষের উপকার করবেন।’

২৩টি চা-বাগান নিয়ে গঠিত লস্করপুরভ্যালির সভাপতি রক্সিন র‌্যালি বলেন, ‘এবার নৌকার পাশাপাশি ঈগলও আছে। আমাদের ভোটে যেহেতু জয়-পরাজয়, তাই এবার আমরা হিসাব করেই ভোট দেব।’

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, এ আসনের অপর ছয় প্রার্থী হলেন আবু ছালেহ (ইসলামী ঐক্যজোট), আহাদ উদ্দিন চৌধুরী (জাতীয় পার্টি), মোহাম্মদ আবদুল মমিন (বাংলাদেশ কংগ্রেস), মো. মোখলেছুর রহমান (বিএনএম), মো. রাশেদুল ইসলাম খোকন (বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট), সৈয়দ মো. আল আমিন (বাংলাদেশ কংগ্রেস)।

Related articles

Recent articles

spot_img