9.9 C
New York

চীনে পড়ালেখার অভিজ্ঞতা যেমন | প্রথম আলো

Published:

প্রতিটি দেশের সরকারি বৃত্তির জন্য আবেদন করতে হলে কিছু প্রস্তুতি নিতে হয়। কী কী কাগজপত্র দরকার, সেসবের একটা তালিকা আমি করে নিয়েছিলাম। যেমন আইইএলটিএস সনদ, চীনা ভাষা দক্ষতার সনদ, সহশিক্ষামূলক কাজে অভিজ্ঞতার সনদ ইত্যাদি। আমি একাধারে আইইএলটিএস ও এইচএসকে কোর্স করেছিলাম। চীনা ভাষা শেখার কোর্স করেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট থেকে। সেখান থেকেই এইচএসকে লেভেল ৪ পাস করেছি। এই প্রস্তুতি নিতেই আমার প্রায় দেড় বছর লেগেছে।

জানিয়ে রাখি, চীনা বৃত্তি মূলত দুই প্রকার। বাংলাদেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করা যায়। অথবা সরাসরি চীনা সরকারের দেওয়া বৃত্তির জন্যও আবেদন করা যায়। দুটির ক্ষেত্রেই প্রক্রিয়া মোটামুটি এক। তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করলে সব সনদের হার্ড কপি জমা দিতে হয়। প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণদের ভাইভার জন্য ডাকা হয়।

চীনে পড়ালেখার অভিজ্ঞতা অসাধারণ। বিদেশি বন্ধুদের সঙ্গে মিশে তাদের সংস্কৃতি বোঝার সুযোগ হচ্ছে। বিভিন্ন প্রদেশ ঘুরছি। কিছু কিছু দেশের শিক্ষার্থীদের দেখি, তাঁরা খুবই পরিশ্রমী। বাংলাদেশিদেরও এখানে মেধাবী হিসেবে আলাদা সুনাম আছে।

সরকারি বৃত্তির একটা বড় সুবিধা হলো—অর্থ সংস্থান নিয়ে ভাবতে হয় না। টিউশন ফি লাগে না। বাসাভাড়াসহ আনুষঙ্গিক খরচও চীনা সরকার বহন করে। যাঁরা এই বছর বৃত্তি নিয়ে চীনে আসতে চান, ধৈর্য ধরে প্রস্তুতি নিতে থাকুন। আবেদন প্রক্রিয়াটা একটু জটিল, তবে লেগে থাকলে নিশ্চয়ই হবে।

Related articles

Recent articles

spot_img