9.9 C
New York

গুচ্ছে যাওয়া নিয়ে বিভক্ত ইবি শিক্ষক সমিতি

Published:

গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়া নিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছে ইসলামী বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

সম্প্রতি সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এ মতানৈক্য দেখা দেয়। এতে ১৫ সদস্যের কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক ছাড়া অন্যদের সাতজন গুচ্ছে না যাওয়ার পক্ষে এবং ছয়জন গুচ্ছের পক্ষে মত দেন। ফলে সংখ্যা গরিষ্ঠতার ভিত্তিতে গুচ্ছে না যাওয়ার পক্ষে সিদ্ধান্ত হলে গুচ্ছে আগ্রহী পক্ষের ছয়জন ‘নোট অব ডিসেন্ট’ প্রদান করেন।

সভা সূত্রে জানা যায়, আগের সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গুচ্ছে না যাওয়ার মত ছিল শিক্ষক সমিতির। তবে ইউজিসি ও সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিতে সভায় এজেন্ডা আকারে আলোচনা হয়। এতে আগের সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত পোষণসহ ছয়জন নোট অব ডিসেন্ট প্রদান করেন। যার মধ্যে সভাপতিও রয়েছেন।

নোট অব ডিসেন্ট দেওয়া শিক্ষকদের দাবি- যেহেতু গুচ্ছে আবেদনকারীদের মধ্যে ১৫ হাজার শিক্ষার্থী ইবিকে কেন্দ্র হিসেবে চয়েজ দিয়েছে এবং শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে ইবিকে গুচ্ছে অন্তভুক্তের নির্দেশনার বিষয় উল্লেখ করে গুচ্ছের আহ্বায়ক অনুরোধ করেছেন। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে গুচ্ছ থেকে বের হওয়ার সুযোগ নেই।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে প্রগতিশীল শিক্ষকদের দুই প্যানেল থেকে ১৫ সদস্য নির্বাচিত হয়। এতে বর্তমান প্রশাসনপন্থী শিক্ষকরা সভাপতিসহ সাত পদে এবং সাবেক প্রশাসনপন্থীরা সাধারণ সম্পাদকসহ আটটি পদে জয় পায়। ফলে কমিটির সদস্যরা সভাপতি ও সম্পাদকের নেতৃত্বে দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন। সভায় সভাপতিপন্থী শিক্ষকরা গুচ্ছে যাওয়ার পক্ষে এবং সাধারণ সম্পাদকপন্থীরা শিক্ষকরা গুচ্ছে না যাওয়ার পক্ষে মত দেন। সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে গুচ্ছে না যাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলে সভাপতিপন্থী শিক্ষকরা নোট অব ডিসেন্ট প্রদান করে।

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মামুনুর রহমান বলেন, দ্বিখণ্ডিত হওয়া কোনো বিষয় না। নোট অব ডিসেন্ট দেওয়ার অধিকার আছে যে কারো। সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে আগের সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। আমরা সিদ্ধন্ত বিভাগগুলোকে চিঠি আকারে পাঠাবো।

গুচ্ছের আবেদন প্রক্রিয়ায় ইবির যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখনো শিক্ষক প্রতিনিধিরা সিদ্ধান্ত নেইনি। এর আগেই কীভাবে গুচ্ছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন এটি বোধগম্য নয়।

এবিষয়ে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, গঠনতান্ত্রিক বাধ্যবাধকতা থাকায় সভাপতি হিসেবে আমি কোনো পক্ষে মত দিতে পারি না। নিয়ম সংখ্যাগরিষ্ঠ মতই সিদ্ধান্ত। তবে, একজন শিক্ষক হিসেবে মনে করি বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবং গুচ্ছে আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে গুচ্ছ অংশ নেওয়া উচিৎ। এখন বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে।

এএইচ/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

Related articles

Recent articles

spot_img