23.1 C
New York

গরুর মাংস কম দামে কত দিন বিক্রি করা যাবে

Published:

তবে গরুর বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে খামারিদের চেয়ে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব বেশি বলে মনে করেন এ ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেকে। তাঁদের মতে, চাহিদা কমে ব্যবসা খানিকটা মন্দা হওয়ার কারণে এই মধ্যস্বত্বভোগীরা এখন একটু ছাড় দিচ্ছে। তবে গোষ্ঠীটি সুযোগ পেলে দাম বাড়ায়, বিশেষ করে তারা পবিত্র শবে বরাত বা রমজান মাসের মতো সময়কে কেন্দ্র করে গরুর মাংসের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে। তবে দাম অতিরিক্ত হওয়া বা বেশি কমে যাওয়া শেষ পর্যন্ত বাজারকেই ক্ষতি করে।

বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনর (বিডিএফএ) সাধারণ সম্পাদক শাহ ইমরান প্রথম আলোকে বলেন, দাম অস্বাভাবিক নেমে এলে সেটা ভালো কিছু না। কারণ, খামারিদের উৎপাদন খরচ বেশি। কিছু গরু কম দামে বাজারে আসার মানে হলো তাঁরাই গরু বিক্রি করছেন, যাঁরা টিকতে পারছেন না। এই সময়ে কম দামে অনেক ক্রেতা ১০ থেকে ২০ কেজি মাংস কিনে ফ্রিজে রেখে দেবেন। এ কারণে কিছুদিন পর কসাই আর ক্রেতা পাবেন না। তখন তিনি আবার আগের দামে ফিরে যেতে চাইবেন।

ডেইরি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, গরুর উৎপাদন আগের মতোই আছে। তবে সবশেষ কোরবানিতে গরু বেশ অবিক্রীত থেকে গিয়েছিল। গরু বিক্রি করতে না পারায় দায় টানছেন অনেক খামারি। আবার শীতের আগে নানা কারণে গরুর স্বাস্থ্যহানি ঘটে, শরীরে মাংস বাড়ে না। গরুর রোগাক্রান্ত হওয়ার হারও এই মৌসুমে বেশি। চাহিদা থাকায় অনেক খামারি তাদের কিছু গরু বাজারে ছেড়ে দিচ্ছেন।

যশোরের খামারি মতিয়ার রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার ৪০টি গরুর মধ্যে ৫টি বিক্রি করেছি। উপযুক্ত দাম না পাওয়ায় আর বিক্রিতে আগ্রহ নেই। আবার দীর্ঘ মেয়াদে এত গরু পালাও সম্ভব নয়। তাতে লোকসান বাড়বে। কারণ, সুস্থ ও স্বাভাবিক গরু থেকে মাংসের উৎপাদন খরচ এখন কেজিপ্রতি ৬০০ টাকার ওপরে।’

গরুর মাংসের দাম দীর্ঘ মেয়াদে কমাতে হলে গোখাদ্যের দামে কমানো প্রয়োজন বলে মনে করেন এই ব্যবসায়ী।

Related articles

Recent articles

spot_img