23.4 C
New York

গণহত্যার বিবরণ তুলে আনছে একুশে পরিষদ

Published:

২০১০ সাল থেকে গবেষণা শুরু করে এ পর্যন্ত নওগাঁয় ১৩২টি গণহত্যার স্থানের সন্ধান পেয়েছেন বলে জানান সংগঠনের সভাপতি ডিএম আবদুল বারী। তিনি বলেন, ‘সরকারিভাবে নওগাঁয় ৩৯টি বধ্যভূমির উল্লেখ থাকলেও আমাদের তথ্য ও উপাত্ত অনুযায়ী নওগাঁয় প্রকৃত বধ্যভূমির সংখ্যা ৬০। এখনো প্রামাণ্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ চলছে। শুধু বধ্যভূমি ও গণহত্যার স্থান চিহ্নিত করেই আমরা কাজ শেষ করছি না, গণহত্যার তারিখে ওই স্থানে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী, বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে আলোচনা, মোমবাতি প্রজ্বালনসহ নানা কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে একুশে পরিষদ স্থানটিকে নতুন প্রজন্মের কাজে তুলে ধরছে।’

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নওগাঁ জেলা ইউনিট ও একুশে পরিষদ নওগাঁ সূত্রে জানা যায়, ৬০টি বধ্যভূমির মধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ছয়টি, সরকারি স্থানীয় দপ্তরের অধীনে একটি, স্থানীয় একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার অর্থে একটি, একুশে পরিষদ নওগাঁর উদ্যোগে একটি এবং শহীদ পরিবারের সন্তানদের উদ্যোগে ৯টি বধ্যভূমিতে সীমানাপ্রাচীর ও স্মৃতিফলক স্থাপন করা হয়েছে। স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও বাকি ৪২টি বধ্যভূমি এখনো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে অযত্নে-অবহেলায় নিশ্চিহ্ন হচ্ছে এসব বধ্যভূমি।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নওগাঁ জেলা ইউনিটের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আফজাল হোসেন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। প্রায় অর্ধশত গণকবর রয়েছে নওগাঁয়। অথচ স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও অনেক গণকবরই সংরক্ষণে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এগুলো সংরক্ষণ করা প্রশাসনের দায়িত্ব।’

Related articles

Recent articles

spot_img