22 C
New York

কোরবানির ইতিহাস এবং কোরআনের শিক্ষা

Published:

কোরআনে আছে, ‘আর আল্লাহর উদ্দেশে হজ ও ওমরাহ পূর্ণ করো, কিন্তু যদি তোমরা বাধাপ্রাপ্ত হও, তবে সহজলভ্য কোরবানি করো। আর যে-পর্যন্ত কোরবানির (পশু) তার গন্তব্যস্থানে উপস্থিত না হয় তোমরা মাথা মুড়িয়ো না। তোমাদের মধ্যে যদি কেউ পীড়িত হয় বা মাথায় যন্ত্রণা বোধ করে, তবে সে তার পরিবর্তে রোজা রাখবে বা সাদকা দেবে বা কোরবানি দিয়ে তার ফিয়া (খেসারত) দেবে। তারপর যখন তোমরা নিরাপদ হবে তখন তোমাদের মধ্যে যে-ব্যক্তি হজের আগে ওমরাহ ক’রে লাভবান হতে চায়, সে সহজলভ্য কোরবানি করবে। কিন্তু যদি কেউ কোরবানির কিছুই না পায়, তবে তাকে হজের সময় তিন দিন ও ঘরে ফেরার পর সাত দিন এই পুরো দশ দিন রোজা করতে হবে । এই নিয়ম তার জন্য, যার পরিবার-পরিজন পবিত্র কা’বার কাছে বাস করে না। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো ও জেনে রাখো আল্লাহ্ মন্দ কাজের প্রতিফল দিতে কঠোর।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৯৬)

কোরআনে আরও আছে, ‘বলো, আমার নামাজ, আমার উপাসনা, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু বিশ্বের প্রতিপালক আল্লাহরই উদ্দেশে। তাঁর কোনো শরিক নেই, আর আমাকে এ ব্যাপারেই তো আদেশ করা হয়েছে যেন আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে আমি অগ্রণী হই।’ (সুরা আনআম, আয়াত: ১৬২-১৬৩)

কোরআনে আছে, ‘আল্লাহর কাছে ওদের মাংস বা রক্ত পৌছায় না, বরং পৌছায় তোমাদের ধর্মনিষ্ঠা। এভাবে তিনি এদেরকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন যাতে তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর, এজন্য যে তিনি তোমাদের পথপ্রদর্শন করেছেন। সুতরাং তুমি সৎকর্মপরায়নদের খবর দাও। আল্লাহ বিশ্বাসীদের রক্ষা করেন। তিনি কোনো বিশ্বাসঘাতক, অকৃতজ্ঞকে ভালোবাসেন না।’ (সুরা হজ: আয়াত: ৩৭-৩৮)

Related articles

Recent articles

spot_img