10.5 C
New York

কারা ছিলেন হেমিংওয়ের প্রেমিকা | প্রথম আলো

Published:

হেমিংওয়ের প্রথম জীবনের বান্ধবী এবং পরিচিতাদের মধ্যে মার্জোরি বাম্প, পলিন স্নো, কেটি স্মিথ কিংবা প্রুডেন্স বৌলটনের নাম বহু জীবনীকারের অনুসন্ধান ও লেখায় উঠে এসেছে, যাঁদের সবাইকে তিনি বিভিন্ন গল্পের চরিত্র হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। কিন্তু ক্যাথরিন লংওয়েল নামের আরেক তরুণীর খোঁজ পাওয়া যায়, যাঁর কথা প্রকাশ করেছেন আমেরিকান সাংবাদিক ও লেখক রবার্ট কে এলডার। তিনি ছাড়া এই তরুণীর কথা একমাত্র উল্লেখ করেছেন জীবনীকার কার্লোস বেকার।

জানা যায়, হেমিংওয়ে যখন পায়ে আঘাত নিয়ে ভগ্নহৃদয়ে ইতালি থেকে ফিরে আসেন, সে সময় এই ক্যাথরিনের সঙ্গে তাঁর কিছু রোমান্টিক মেলামেশার ঘটনা ঘটেছিল। সেই সংক্ষিপ্ত সময়ের সান্নিধ্যের কথা ক্যাথরিন বলে গেছেন হেমিংওয়ের ভাই লেস্টারকে। তাঁরা দুজনে মিলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দে প্লেইনস নদীতে ডিঙি চালিয়ে ঘুরে বেড়াতেন, ক্যাথরিনের বাড়িতে বসে শহর থেকে কিনে আনা ইতালিয়ান কেক খেতে খেতে নিজের লেখা নতুন গল্প পড়ে শোনাতেন তরুণ লেখক হেমিংওয়ে। স্বল্প সময়ের সঙ্গিনী হিসেবে, এমনকি কোনো গল্পের চরিত্রও হননি বলে হেমিংওয়ের জীবনীকারেরা এই তরুণীর বিষয়ে বিশেষ কিছু আবিষ্কার করেননি কিংবা খুব গুরুত্ব দেননি এই সম্পর্ককে। কিন্তু জানা গেছে, ক্যাথরিনের প্রতি হেমিংওয়ে এতই ঝুঁকে পড়েছিলেন যে ইতালির যুদ্ধে তাঁর ব্যবহৃত একটা পোশাক তাঁকে উপহার দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু হেমিংওয়ের মা ব্যাপারটা পছন্দ করেননি, এমনকি পোশাকটা ফেরত চেয়েছিলেন। আহতাবস্থায় ইতালির হাসপাতালে ভর্তি হয়ে সেরে ওঠার পর ১৯১৯ সালের এপ্রিলে পোস্ট কার্ডে ক্যাথরিনকে একটা চিঠি লিখেছিলেন হেমিংওয়ে।

Related articles

Recent articles

spot_img