25.4 C
New York

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন, চাকরিতে সুযোগ–সুবিধা ও বৈষম্য

Published:

এনটিআরসিএর মাধ্যমে চূড়ান্ত উত্তীর্ণ ও নিয়োগের জন্য সুপারিশ পাওয়া একজন প্রবেশনারি পর্যায়ের শিক্ষক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে জাতীয় বেতন কাঠামো অনুসারে ৯ম, ১০ম ও ১১তম স্কেলে বেতন শুরু হয়। কলেজপর্যায়ের প্রভাষকেরা ৯ম গ্রেডে, স্কুলপর্যায়ে সহকারী শিক্ষক বিএড ছাড়া ১১তম গ্রেডে ও বিএড থাকলে ১০ম গ্রেডে বেতন শুরু হয়।

অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে বাড়িভাড়া ১০০০ টাকা, চিকিৎসা ভাতা ৫০০সহ মোট ১ হাজার ৫০০ টাকা অতিরিক্ত যুক্ত হয়। তা ছাড়া সরকার কর্তৃক ঘোষিত সর্বশেষ বিশেষ প্রণোদনা ৯ম ও ১০ম গ্রেডের জন্য ৫% হারে অন্যান্য নিচের গ্রেডে যাঁরা আছেন, তাঁদের ১০০০ টাকা দেওয়া হয়। মোট বেতনের ওপর আবার অবসর-সুবিধা ও ভবিষ্যৎ কল্যাণ তহবিলের জন্য ১০% পরিমাণ টাকা কেটে রাখা হয়।

মাসিক নিট বেতন হিসাব করলে একজন সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত কলেজ প্রভাষক ২২ হাজার ৪০০ টাকা ও মাদ্রাসা, কারিগরি ও হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক ১২ হাজার ৫০০ থেকে ১৭ হাজার ৫০০ টাকা পেয়ে থাকেন। উৎসব ভাতা হিসেবে মূল বেতনের ২৫%, দুই ঈদে দুটি উৎসব ভাতা ও বৈশাখী ভাতাও পেয়ে থাকেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা। অন্যান্য চাকরির মতো প্রতিবছর ইনক্রিমেন্ট সুবিধা পাওয়া যায়। স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক থেকে পর্যায়ক্রমে পদোন্নতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পর্যন্ত হওয়া যায়।

কলেজের প্রভাষকেরা আট বছর পূর্তিতে আনুপাতিক হারে সহকারী অধ্যাপক হওয়ার সুযোগ পান। পরবর্তী সময় পদোন্নতি পেয়ে উপাধ্যক্ষ ও অধ্যক্ষ পর্যন্ত হওয়ার সুযোগ থাকে।

একজন প্রভাষক বা শিক্ষক ৬০ বছর চাকরি শেষে অবসর গ্রহণ করলে অবসরকালীন ও ভবিষ্যৎ কল্যাণ তহবিল থেকে এককালীন সুবিধা পেয়ে থাকেন। সরকারি অন্যান্য চাকরির মতো কোনো প্রকার পেনশনের ব্যবস্থা নেই।

Related articles

Recent articles

spot_img