11.5 C
New York

এক শিক্ষকেই চলছে বিদ্যালয় | প্রথম আলো

Published:

বিদ্যালয়ের এ পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা হয়। তাঁরা জানান, বিদ্যালয়টি প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের মধ্যে। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের যোগাযোগব্যবস্থা ভালো নয়। ফলে এখানে শিক্ষকেরা থাকতে চান না। এক বছর ধরে বিদ্যালয়ে একজনই শিক্ষক। একজন শিক্ষক কীভাবে এতগুলো ক্লাস নেবেন। তারপরও তিনি যেটুকু পারেন, সেটুকু পড়ান। শিক্ষক–সংকটের কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে। তাঁরা দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানান।

মো. শরিফ, শরিফুল ইসলাম, শাপলা আক্তারসহ বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, শিক্ষক না থাকায় ঠিকমতো তাদের ক্লাস হয় না। অনেক সময় তারা নিজেরা ক্লাসে বসে থাকে। শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীরা অন্য স্কুলে চলে যাচ্ছে। প্রতিদিন সব মিলিয়ে ১৫ থেকে ২০ জনের বেশি হয় না। তবে শিক্ষক থাকলে শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসবে। নতুন শিক্ষক দেওয়া হলে তাদের লেখাপড়া আরও ভালো হতো বলে জানায় এই শিশুরা।

বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, সরকারীকরণ হওয়ার পর থেকেই বিদ্যালয়ে শিক্ষক নেই। এক বছর ধরে প্রধান শিক্ষক একাই আছেন। মূল সমস্যা, বিদ্যালয়ের রাস্তাঘাট ভালো নয়। এখানে শিক্ষকেরা আসতে চান না। দু-একজন এলেও খুব দ্রুত বদলি হয়ে যান।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে মেলান্দহ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘এ উপজেলায় সদ্য যোগদান করেছি। তবে ইতিমধ্যে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক–সংকটের বিষয়টি জেনেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষক দেওয়া হবে।’

Related articles

Recent articles

spot_img