10 C
New York

এক বছরের কাজ পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি

Published:

ক্ষতিপূরণ চেয়ে যেসব জমির মালিক মামলা করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ফেঁচুয়ান গ্রামের মকবুল হোসেন, সুজন হোসেন, বদিউজ্জামান ও আজিজ খাঁ। তাঁরা জানান, এই গ্রামের ওপর দিয়ে যাওয়া সড়কের পুরোটাই ব্যক্তিমালিকানাধীন। ক্ষতিপূরণ পেলেই তাঁরা মামলা তুলে নেবেন। তবে তাঁরা শুনেছেন, সওজ জমি অধিগ্রহণ বাবদ অর্থ ইতিমধ্যে পেয়েছে। সেই অর্থ জমির মালিকদের মধ্যে দ্রুত বণ্টন করে যাতে সড়কের কাজ শুরু হয় তা তাঁরা চান। কারণ, সড়কের কাজ বন্ধ হয়ে থাকায় অন্তত ২৫ গ্রামের মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সরেজমিন পাটগাড়ি, ফেঁচুয়ান, সোনাতলা ও তেঘরি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ভাঙাচোরা সড়কের কারণে রিকশা ও ভ্যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে এগুলোর চলাচল একেবারেই কমে গেছে। এর পরেও রিকশা-ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। সম্প্রতি ফেঁচুয়ান গ্রামের অটোরিকশাচালক দায়েন সরদার (৩৫) দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন।

এই সড়কের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অংশ পাটগাড়ি গ্রামে পড়েছে। এই অংশে সড়ক ছাড়াই কালভার্ট নির্মাণ করে ফেলে রাখা হয়েছে। কালভার্ট পার হওয়ার জন্য এর দুই পাশে মাটি ফেলা হলেও সেখান দিয়ে ভালোমতো হাঁটা যায় না। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে ওই অংশ পিচ্ছিল হয়ে যায়। এ সময় প্রায়ই এখান থেকে লোকজন পড়ে গিয়ে আহত হন।

এলাকাবাসী জানান, আগে মাটির রাস্তা থাকায় ভালোভাবেই হাঁটা যেত। এমনকি রিকশা-ভ্যানও চলত। কিন্তু এখন সড়কের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি করায় ও মাঝখানে কালভার্ট তৈরি করে রাখায় রিকশা-ভ্যান চলা দূরের কথা ভালোমতো হাঁটাই যায় না।

Related articles

Recent articles

spot_img