5.9 C
New York

এই শীতে কোন ক্যাম্পাস কোন উৎসবে মেতেছে

Published:

শীতজুড়েই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে নানা অনুষ্ঠান-উৎসব। তবে ‘ইন্ডিজেনাস ফুড ফেস্টিভ্যাল’–এর কথা আলাদা করে বলতেই হই। ২০২২ সালের ১১ জানুয়ারি এক রকম চ্যালেঞ্জ নিয়েই প্রথমবার ক্যাম্পাসে এই উৎসব করেছিলেন বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কয়েকজন শিক্ষার্থী। উদ্দেশ্য ছিল—ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ বাড়ানোর পাশাপাশি তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা। আয়োজনটি সেবার বেশ সাড়া ফেলেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও ২৫ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইন্ডিজেনাস ফুড ফেস্টিভ্যাল’। স্টল ছিল ১০টি। ম্রো, গারো, ত্রিপুরা, সাঁওতাল, মণিপুরি, তঞ্চঙ্গ্যা, চাকমা ও মারমা জনগোষ্ঠীর সদস্যরা ঐতিহ্যবাহী সাজে, নিজস্ব পিঠা-খাবার ও সাংস্কৃতিক আয়োজন নিয়ে উৎসবে অংশ নেন। আয়োজক দলের অন্যতম সদস্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থী মুন চাকমা জানালেন, সান্ন্যে পিধে, কলা পিধে, আলসি পিরা, মূ-পিরা, লাকসু, মুন্ডি, পাজন, হুরো গোরাঙ, মাছ গোরাঙ, শামুক, দ-ফুরা খারি, দ-গপ্পাসহ আরও অনেক বৈচিত্র্যময় খাবার ও পিঠা ছিল খাবারের এই মেলায়। সেই সঙ্গে ছিল চারুকলার শিক্ষার্থী সুরজয় চাকমার আঁকা ছবি নিয়ে চিত্র প্রদর্শনী, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের নাচগান-আবৃত্তি।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলার দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরাও প্রতিবছর পিঠা উৎসব করে। অ্যাপ্লাইড আর্ট বিভাগের শিক্ষার্থী এশনা বিনতে আলী বলছিলেন, ‘করোনা–পরবর্তী কয়েক বছর পিঠা উৎসব বন্ধ ছিল। এ বছর আবার যখন আমরা উৎসবটি করার কথা চিন্তা করি, তখন ভিন্নতা আনতেই নাম দিই “হিমসংক্রান্তি ১৪৩০”।’ দ্বিতীয় বর্ষের আয়োজন হলেও অন্যান্য বর্ষের শিক্ষার্থীদেরও এতে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। ২৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত উৎসবটি নাচের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। শেষে ছিল কবিতা আবৃত্তি, পুঁথিগান, ছায়ানৃত্য, বিটবক্সিংসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।

Related articles

Recent articles

spot_img