23.4 C
New York

উন্নয়ন সত্ত্বেও বাংলাদেশ কেন সুখহীনতায় 

Published:

জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষকতায় ২০১২ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে ২০ মার্চ আন্তর্জাতিক সুখ দিবসে ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট বা প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে। ২০২৪ সালের সেই প্রতিবেদন এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। 

এ প্রতিবেদনে তালিকা করার ক্ষেত্রে মানুষের সুখের নিজস্ব মূল্যায়ন, সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ৬টি মূল চলকের ওপর ভিত্তি করে শূন্য থেকে ১০ সূচকে নম্বর পরিমাপ করা হয়। সুখী দেশের তালিকার পাশাপাশি প্রতিটি দেশের মানুষের মাথাপিছু জিডিপি, সামাজিক সহায়তা, জন্মকালে জীবন আয়ুষ্কাল, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, উদারতা এবং দুর্নীতির মাত্রা বিবেচনায় নেওয়া হয়। 

বলে রাখা ভালো, এটি কোনো সূচক নয়, বরং এই ছয়টি চলক নিয়ে ব্যক্তির অনুভূতি বা মূল্যায়নের মাধ্যমে স্কোর প্রদান। তবে জীবন সম্পর্কে মূল্যায়নগত এ উপাত্তের সঙ্গে ব্যবহৃত ছয়টি চলকের পর্যবেক্ষণজনিত উপাত্তের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা পরিমাপ করা হয়েছে। 

এ প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত ১৪৩টি দেশের তালিকায় ২০২৪ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশ রয়েছে ১২৯তম অবস্থানে। আর বাংলাদেশের স্কোর হলো ১০-এর মধ্যে ৩.৮৮৬। গত বছর এ অবস্থান ছিল ১১৮। সে হিসাবে এ বছর বাংলাদেশের অবস্থান ১১ ধাপ পিছিয়েছে। ২০২২ সালে বাংলাদেশ ছিল তালিকার ৯৪ নম্বরে। 

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র আফগানিস্তান ছাড়া সবাই বাংলাদেশের ওপরে রয়েছে। নেপাল রয়েছে ৯৩তম (৫.১৫৮), পাকিস্তান ১০৮তম (৪.৬৫৭), ভারত ১২৬তম (৪.০৫৪) ও শ্রীলঙ্কা ১২৮তম (৩.৮৯৮), আফগানিস্তান ১৪৩তম অবস্থানে (১.৭২১)। প্রতিবেশী মিয়ানমার আছে ১১৮তম স্থানে (৪.৩৫৪)। এশিয়ার দেশগুলোর ৩০-এর মধ্যে রয়েছে কুয়েত (১৩), আরব আমিরাত (২২), সৌদি আরব (২৮) ও সিঙ্গাপুর (৩০)। 

এ তালিকায় নরডিক অঞ্চলের দেশগুলো, বিশেষ করে প্রথম চারটি সুখী দেশের মধ্যে রয়েছে ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড ও সুইডেন। এ দেশগুলোর সবার স্কোরই ১০–এর মধ্যে ৭.৩০-এর ওপরে রয়েছে। সাত বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে সুখী দেশের তালিকায় শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে ফিনল্যান্ড। 

Related articles

Recent articles

spot_img