16.9 C
New York

ঈদে লম্বা ছুটি, বাড়ি যাবেন বেশি মানুষ

Published:

৫ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে পবিত্র রমজান মাস ও ঈদুল ফিতরের প্রস্তুতি নিয়ে একটি বৈঠক হয়। ২১ মার্চ সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা ও অংশীজনদের সঙ্গে ঈদ প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে ঈদে যানজট ও ঘরমুখী মানুষের ভোগান্তি হতে পারে—এমন ১৫৫টি স্থান চিহ্নিত করা হয়। এসব স্থানে ভোগান্তি এড়াতে সড়ক ও সেতু মেরামত এবং সেতুর টোল প্লাজা ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে যানজটপ্রবণ যে ১৫৫টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে, তার মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে রয়েছে ৪৮টি জায়গা। কাঁচপুর সেতুর আগে-পরে বেশ কিছু ইউটার্ন (গাড়ি ঘুরিয়ে আনার সুযোগ থাকে যেখানে) রাখা হয়েছে ওই তালিকায়।

ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গের পথের মহাসড়কে রয়েছে ৫৫টি যানজটের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান। এর মধ্যে বাইপাইল ও চন্দ্রা মোড় অন্যতম। ঢাকা-সিলেট পথে যানজটের ভোগান্তি হতে পারে এমন জায়গা রয়েছে ৪১টি। এই মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় চার লেনের কাজ চলছে। ফলে পূর্ণ গতিতে যানবাহন চলতে পারবে না। ঢাকা-ময়মনসিংহ পথে ঝুঁকির জায়গা ৬টি। ঢাকা-আরিচা সড়কে ৮টি যানজটপ্রবণ জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে।

দেশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে থাকা ১১টি সেতু এবং ২টি সড়কে টোল আদায় করা হয়। টোল আদায় কেন্দ্রে যানবাহনের চাপ পড়লে যানজট লেগে যায়।

ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে বড় কোনো বাধা চিহ্নিত করেনি সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়। তবে পরিবহন খাতের সূত্রগুলো বলছে, এই পথে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ও দোলাইরপাড় মোড় এখনই দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য একটা ভোগান্তির জায়গা হয়ে উঠেছে। কারণ, সায়েদাবাদকেন্দ্রিক রাস্তায় যানজট থাকে। রাস্তার ওপর বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানো হয়।

ঈদে সায়েদাবাদ হয়ে প্রতিবছর বরিশাল যান ওয়াহিদুজ্জামান। তিনি বলেন, দেখা যায় ছয় ঘণ্টায় বরিশাল যাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে দুই ঘণ্টাই লাগে সায়েদাবাদ ও দোলাইরপাড় পেরিয়ে মহাসড়কে যেতে।

Related articles

Recent articles

spot_img