15.5 C
New York

ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে রেললাইনে থাকবে পাহারা ও টহল

Published:

এর দুই দিন পর ১৮ মার্চ রাতে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্তে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হয়। ট্রেনের একটি বগির চারটি চাকা লাইনচ্যুত হওয়ার পর ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে এই বড় দুটি ট্রেন দুর্ঘটনার পর নিরাপদ যাত্রার ব্যাপারে তৎপর হয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ঈদের সময় ঘরমুখী মানুষ নতুন করে কোনো দুর্ঘটনার কবলে না পড়েন, সে জন্য ট্রেন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চারটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনাগুলো হলো: ১. ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রেলওয়ের রেলপথগুলো (ট্র্যাক) ওয়েম্যান ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে দিনে ও রাতে সার্বক্ষণিক পাহারার ব্যবস্থা করতে হবে। এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য প্রতিটি নিয়ন্ত্রণকক্ষে কর্তব্যরত ওয়েম্যান ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মুঠোফোন নম্বর সংরক্ষণ করতে হবে। ২. প্রয়োজনে মোটর ট্রলি দিয়ে রেলওয়ে পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী এবং জ্যেষ্ঠ উপসহকারী প্রকৌশলীদের অধীন থাকা কর্মীদের সমন্বয়ে টহল দিতে হবে। ৩. স্টেশনমাস্টার, পরিদর্শক ও জ্যেষ্ঠ উপসহকারী প্রকৌশলীরা নিজ নিজ এলাকার রেলওয়ে ট্র্যাক (রেলপথ) সার্বক্ষণিক তদারকি এবং তা নিয়ন্ত্রণকক্ষকে অবহিত করবেন। ৪. প্রত্যেক বিভাগীয় প্রকৌশলীরা টহল কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করবেন।

নিরাপদ যাত্রার জন্য চার ধরনের নির্দেশনা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম।

Related articles

Recent articles

spot_img