19.3 C
New York

ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের নজর এখন গাজার সৈকতের দিকে

Published:

দানিয়েলা উইস বলেন, ‘পৃথিবী অনেক বড়। আফ্রিকা বিশাল। কানাডাও বড়। বিশ্ব গাজার লোকদের ঠাঁই করে দিতে পারবে। আমরা কীভাবে? আমরা উৎসাহ দেই। গাজার যেসব ফিলিস্তিনি ভালো, তারা এটা করতে সুযোগ পাবে। আমি জোরজবরদস্তির কথা বলছি না, আমি তাদের সুযোগ পাওয়ার কথা বলছি। কারণ, তারা যেতে চায়।’

ফিলিস্তিনিরা তাঁদের স্বদেশ ছাড়তে চান এ ধরনের কোনো প্রমাণ নেই। তবে জীবন বাঁচাতে অনেকেই সাময়িকভাবে দেশ ছাড়তে চাচ্ছেন, সেটা হয়তো হতে পারে। অধিকাংশ ফিলিস্তিনিরই দেশ থেকে বের হওয়ার কোনো রাস্তা নেই। কারণ, সীমান্তগুলো ইসরায়েল ও মিসর কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে। তা ছাড়া কোনো দেশ ফিলিস্তিনিদের শরণার্থী হিসেবে নেওয়ার প্রস্তাবও দেয়নি।

আমি তাঁকে বলি, এ মন্তব্য জাতি হত্যার পরিকল্পনার মতো শোনাচ্ছে। তিনি তা অস্বীকার করলেন না।

দানিয়েলা বলেন, ‘আপনি এটিকে জাতিগত নিধন বলতে পারেন। আমি আবারও বলছি, আরবরা থাকতে চায় না। স্বাভাবিক আরবরা গাজায় বসবাস করতে ইচ্ছুক নয়। আপনি এটিকে জাতি হত্যা অথবা বর্ণবাদ বলতে পারেন। যা চান তা–ই বলুন। যাই বলুন না কেন, সেটি আপনার পছন্দ। আমি ইসরায়েল রাষ্ট্রকে রক্ষায় এই পথ বেছে নিয়েছি।’

কয়েক দিন পর আরেক বসতি স্থাপনকারীর বাড়িতে ছোট জমায়েতের আয়োজন করা হয়। সেখানে কেক ও পপকর্ন খাওয়ার ফাঁকে গাজায় ফিরে যাওয়ার চিন্তাটি সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিচ্ছিলেন দানিয়েলা।

দানিয়েলা উইস বড় পর্দায় (প্রজেক্টর) গাজার নতুন মানচিত্র দেখাচ্ছিলেন। এ সময় তিনি ‘গাজায় ফিরে যাও’ লেখা প্রচারপত্রও দেখাচ্ছিলেন।

দানিয়েলা উইস বলেন, ‘মানুষ আমাকে প্রশ্ন করেছিল যে এটা হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু?’

Related articles

Recent articles

spot_img