11.5 C
New York

ইসরায়েলের গুপ্তহত্যার শিকার কে এই ইরানি জেনারেল জাহেদি

Published:

ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের নিশানা

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানি স্বার্থের প্রধান প্রতিনিধি হিসেবে জাহেদির ওপর ইসরায়েলি গোয়েন্দারা বছরের পর বছর ধরে নজর রাখছিলেন।

বেশ কয়েকবার ইসরায়েলি গণমাধ্যমে জাহেদির নাম আসে। তাঁর ছবি প্রকাশ করা হয়। ইসরায়েলি গণমাধ্যমে জাহেদির পরিচয় দেওয়া হয়, আইআরজিসির কুদস ফোর্সের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে, যাঁকে ধরতে চায় ইসরায়েল।

ইসরায়েলের এই তালিকায় সাইদ ইজাদির নামও আছে। ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে ইরানের যোগাযোগকারী শীর্ষস্থানীয় সামরিক কর্মকর্তা তিনি। গত সোমবারের হামলার পর প্রাথমিকভাবে গুজব ছড়িয়েছিল, তিনিও নিহত হয়েছেন। পরে অবশ্য এই গুজব নাকচ করা হয়।

জাহেদির ডেপুটি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ হাদি হাজি রহিমিও গত সোমবার ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন।

জাহেদি নিহত হওয়ার পর ইরানি গণমাধ্যম তাঁর বিভিন্ন সময়ের ছবি প্রকাশ করেছে। ছবিতে তাঁকে অঞ্চলটির ইরান-সংশ্লিষ্ট শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা গেছে।

সময়-তারিখ নেই—এমন কয়েক দশকের পুরোনো একটি ছবিতে জাহেদিকে সোলেইমানির পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ছবিতে লেবাননের হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ আছেন। আছেন ইসরায়েলি গুপ্তহত্যার শিকার হিজবুল্লাহর সাবেক সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ইমাদ মুগনিয়াহসহ অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি।

আরেকটি ছবি দেখা যায়, যেটি গত শতকের আশির দশকের (১৯৮০-৮৮) ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময়ের বলে ধারণা করা হয়। ছবিটি বলছে, খামেনির ঘনিষ্ঠ ছিলেন জাহেদি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন গতকাল মঙ্গলবার জাহেদির বাড়ির একটি জমায়েত দেখায়। সেখানকার একটি ছবিতে হাসান তেহরানি মোগাদ্দামের পাশে দেখা যায় জাহেদিকে। মোগাদ্দাম ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির জনক হিসেবে পরিচিত। তিনি ২০২২ সালের নভেম্বরে তেহরানের কাছে এক রহস্যময় বিস্ফোরণে নিহত হন। এই ঘটনার জন্য অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে দায়ী করেনি ইরান।

জাহেদির ছেলে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেছেন, তাঁর বাবার শাহাদাতবরণের দীর্ঘদিনের ইচ্ছা অবশেষ পূর্ণ হয়েছে। তিনি শুধু বলবেন, আল্লাহ তাঁর বাবাকে পুরস্কৃত করেছেন।

Related articles

Recent articles

spot_img