5.1 C
New York

ইলন মাস্কের পাঁচটি ব্যর্থতা এবং সেসব কাটিয়ে ওঠার গল্প

Published:

২০২২ সালে ৪৪ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে খুদে ব্লগ লেখার সাইট টুইটার কিনে নেওয়ার জন্য একটি চুক্তি সই করেন ইলন মাস্ক। তারপর হঠাৎ সেই চুক্তি থেকে সরে আসতে চান। মাস্ক দাবি করেন, টুইটারে ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও স্প্যামের সংখ্যা কর্তৃপক্ষ যত দাবি করেছিল, তার চেয়ে অনেক বেশি।

যখনই মাস্ক তাঁর টুইটার কেনার চুক্তি থেকে সরে আসতে চান, তখনই ব্যাপারটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়। মাস্কের এই চুক্তি ভঙ্গ করার সিদ্ধান্তের প্রভাব টেসলার শেয়ারের মূল্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করে। এরপর তৎকালীন টুইটার কর্তৃপক্ষের করা মামলার মুখোমুখি হওয়ার পর মাস্কের জনপ্রিয়তাও কমতে থাকে। শেষ পর্যন্ত মাস্ক টুইটারের মালিকানা গ্রহণ করেন এবং টুইটার কর্তৃপক্ষ তাদের মামলা তুলে নেয়। এখন পর্যন্ত টুইটারে মাস্কের পথচলা মসৃণ হয়নি। টুইটার পরিচালনাকালে তাঁর গ্রহণ করা বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন আছে। যেমন গণহারে কর্মী ছাঁটাই, বিজ্ঞাপনদাতাদের অনাগ্রহী করে তোলা, ভেরিফায়েড আইডির চিহ্ন ব্লু টিক বাবদ প্রতি মাসে টাকা নেওয়া ইত্যাদি। এ ছাড়া টুইটার অধিগ্রহণের পর এক বছর পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মাস্ককে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে। এ অবস্থায় টেসলার অংশীদাররাও তাঁদের কোম্পানির প্রতি মাস্কের প্রতিশ্রুতি নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়ছেন। এর ফলে টেসলার শেয়ারের মূল্য বেশ দীর্ঘ সময় ধরেই পড়তির দিকে।

যত ব্যর্থতা আর বিতর্কই থাকুক না কেন, ইলন মাস্ক নিঃসন্দেহে অত্যন্ত প্রতিভাবান। ক্যারিয়ারজুড়েই নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছেন, কিন্তু হাল ছেড়ে দেননি কখনোই। টেসলা এখন পৃথিবীর সবচেয়ে সফল বৈদ্যুতিক গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। মহাকাশ পরিবহনের খরচ কমিয়ে আনার যে লক্ষ্য নিয়ে মাস্ক স্পেসএক্স গড়ে তুলেছেন, সেই উদ্দেশ্য আজ অনেকাংশেই সফল। ইলন মাস্কের ধৈর্য ও দূরদর্শিতা ছাড়া এসব এত দ্রুত হতো না। ইলন মাস্কের ব্যর্থতা, সাফল্য, উদ্ভাবন কিংবা পাগলামি বিশ্লেষণ করে অনেক কিছুই শেখার আছে।

সূত্র: প্রেসফার্ম ও ফোর্বস

Related articles

Recent articles

spot_img