9.6 C
New York

ইট–সিমেন্টের রংতুলি দিয়ে মানুষের স্বপ্ন সাজান তাঁরা

Published:

খোলামেলা, আলো–হাওয়ার প্রাচুর্য আর সবুজের ছোঁয়া রেখে বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্ন বুনে যেতে চান হোসেইন খালেদ। বাবার মতো তিনিও প্রকল্পের জমি বাছাই করার সময় খেয়াল রাখেন, মসজিদ কোন দিকে, সেদিকে জানালা দেওয়া যাবে কি না। ভাবেন, ওই ভবনে যাঁরা থাকবেন, তাঁদের ছেলেমেয়েরা যেন খেলার একটা জায়গা পায়, প্রকৃতির সঙ্গে তারা যেন বেড়ে উঠতে পারে। ভাবেন, দেশের রিয়েল এস্টেট শিল্পের সমস্যাগুলো সমাধানে অন্যদের সঙ্গে কাজ করবেন, যেমনটি এখন করেন।

আনোয়ার ল্যান্ডমার্কের কোনো প্রকল্পে থাকতে হলে কোনটিকে বাছাই করবেন—এই প্রশ্নের উত্তরে জানালেন, গুলশানের ৭১ নম্বর সড়কে নতুন একটি প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে, নকশা হচ্ছে, নানা দিক দেখা হচ্ছে। সেটিতে আলো-হাওয়া যেমন থাকবে, তেমনি থাকবে সবুজের সমারোহ। যদি ল্যান্ডমার্কের কোনো প্রকল্পে থাকতে হয়, তাহলে সেটিকে এগিয়ে রাখবেন। পরিবারের সবাইকে নিয়ে এখন ধানমন্ডিতে নিজেদের বাড়িতে থাকেন হোসেইন খালেদ।

আলাপচারিতার কোন ফাঁকে সূর্য পশ্চিমে ঢলে পড়েছে, টের পাইনি। আমাদের আলোকচিত্রী কবীর হোসেনের তাড়ায় আমরা চলে এলাম বায়তুল হোসেন ভবনের ছাদে। সেখানে জড়ো হলেন ল্যান্ডমার্কের কর্মীদের একাংশ। তাঁদের মাঝখানে দাঁড়ালেন হোসেইন খালেদ। সবাই মিলে তাকালেন আকাশের পানে।

যে আকাশ তাঁরা ছুঁতে চান নিজেদের পেশাদারত্ব, ভালোবাসা, মায়া, নিষ্ঠা, সততা ও কাজের মান দিয়ে।

লেখাটি বর্ণিল বসত জানুয়ারি ২০২৪ সংখ্যায় প্রকাশিত

Related articles

Recent articles

spot_img