10 C
New York

আসামি কারা, জানে না পুলিশ

Published:

মাঝির জবানিতে দুর্ঘটনার বর্ণনা

নৌ পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত পর্যটকবাহী নৌকার মাঝিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। মাঝির নাম নাহিদ মিয়া। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মেঘনায় নৌকা চালান। পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীদের নাহিদ জানান, নৌকায় ১৮ জনের মতো যাত্রী ছিলেন। নদীতে ঘোরাঘুরিও শেষ হয়ে গিয়েছিল। ভৈরব প্রান্তে ফিরছিলেন। তখন ইফতারের সময় ঘনিয়ে আসে। মেঘনা নদীর সৈয়দ নজরুল ইসলাম সড়ক সেতুর ভৈরব প্রান্তের দিক থেকে ৪ নম্বর খুঁটি অতিক্রম করার সময় পেছন দিক থেকে বাল্কহেডটি সজোরে ধাক্কা দেয়। পেছনে কাছাকাছি বাল্কহেড আছে, এটি কারও নজরে আসেনি। ফলে সতর্ক হওয়ার সুযোগ ছিল না। ধাক্কায় নৌকাটি উল্টে যায়। নিজেও পানিতে ছিটকে পড়েন নাহিদ। তখন কাছাকাছি লোক পারাপারের একটি নৌকা ছিল। নৌকাটি এগিয়ে আসে। মাঝি নিজে দুজনকে উদ্ধারে সহায়তা করেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, মেঘনা নদীতে পাশাপাশি দুটি রেল ও একটি সড়ক সেতু রয়েছে। তিনটি সেতুকে ঘিরে ভৈরব প্রান্তে প্রতিদিন অসংখ্য দর্শনার্থী আগমন ঘটে। ঘাটে বেশ কয়েকটি পর্যটকবাহী নৌকা রয়েছে। প্রতিদিন অসংখ্যমানুষ নৌকার মাধ্যমে মেঘনা নদীতে ঘুরে বেড়ান। বিশেষ করে শুক্রবার পর্যটকদের সংখ্যা বেড়ে যায়। গত শুক্রবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে একটি নৌকায় ১৮ জন আরোহী হন। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে বাল্কহেডের ধাক্কায় নৌকটিকে ডুবে নয়জন মারা যান।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন কনস্টেবল সোহেল রানা, তাঁর স্ত্রী মৌসুমী বেগম (২৫), তাঁদের সাত বছর বয়সী মেয়ে ইভা বেগম, চার বছর বয়সী ছেলে রাইসুল ইসলাম, বেলন চন্দ্র দে (৪০), বেলন দের শ্যালকের স্ত্রী রুপা দে (২৬), সম্বন্ধির মেয়ে আরাদ্ধা (১১), নরসিংদীর বেলাব উপজেলার দড়িগাঁও গ্রামের কলেজপড়ুয়া আনিকা বেগম ও ভৈরব পৌর শহরের কমলপুর এলাকার স্বপন মিয়ার মেয়ে সুর্বণা বেগম (২০)।

Related articles

Recent articles

spot_img