9.9 C
New York

আলীম তার বাবা হাবিবকেও ছাড়িয়ে যাবে: ফেরদৌস ওয়াহিদ

Published:

এটাই সবচেয়ে বড় সত্য। বাস্তবতা। এটার নিয়ন্ত্রণ মানুষের মধ্যে নেই। মৃত্যুর ব্যাপারটা আমাকে সার্বক্ষণিক ভাবায়। যার কারণে পুরোপুরিভাবে ঢাকা শহর ছেড়ে গ্রামীণ পরিবেশে চলে আসা। আমার তো আসলে যেতেই হবে। যেতেই যদি হয়, একটু পরিচ্ছন্ন থাকার জন্য গ্রামটাকে বেছে নিই। ৪০ বছরের পর থেকে মৃত্যুভাবনা চলছে। প্রথম প্রথম তো একদিন পৃথিবীতে থাকব না ভাবলে অস্থির লাগত। এখন যেভাবে হোক, মনের ভেতরে একটা বিশ্বাস ঢুকে গেছে, আরেকটা পৃথিবী আছে। আমি এই পৃথিবী থেকে আরেক পৃথিবীর দিকে যাচ্ছি, তাই এটা ভাবতে ভালোই লাগে। কোনো এক সময় ভয় লাগত।

প্রথম আলো :

৪৯ বছরের সংগীতজীবনে যখন পেছনের দিকে তাকান, কী মনে হয়?

সুখ-দুঃখ, পাওয়া-না পাওয়া—এই নিয়েই তো মানুষের জীবন। যখন মানুষের ভালোবাসা আসে, সুখ অনুভব করি। তবে অল্প কথায় মনে হয়, চমকিত ভালোবাসার চাইতে সহজ-সরল প্রাপ্তির মধ্যে যারা আছে, তারাই ফেলে আসা জীবনকে অসাধারণভাবে উপভোগ করতে পারছে। সোজা কথা, একজন শিল্পীর জীবনে সবার স্বচ্ছন্দ ভালোবাসার চাইতে মূল্যবান আর কোনো কিছুই নেই। সংগীতজীবনের শুরুর দিকে অনেকে উৎসাহ দিয়েছেন, সেই স্মৃতি মনে পড়ে। পাশাপাশি যারা বলেছিল, আমাদের কারণে সংস্কৃতি রসাতলে গেছে, তাদের কথাও মনে পড়ে।

প্রথম আলো :

আপনার চোখে বাংলাদেশের গানের অবস্থা এখন কেমন?

আমার তো মনে হয় উৎকর্ষের দিকে যাচ্ছে। তবে একটু থমকে থমকে যাচ্ছে। কালো মেঘের মধ্যে বিজলিটা যেমন চমকায়, তেমনি গানের আকাশেও বিজলি চমকায়, আবার চলে যায়। স্থায়ী ও চমৎকার পরিবেশটা এখনো আসছে না। হয়তো আসবে। অনেক সম্ভাবনা আছে। রাতের পর দিন, দিনের পর আবার রাত—এভাবেই তো চলছে, চলবে। আমাদের অপেক্ষায় থাকতে হবে। আমরা দেখতে পারব কি না জানি না; তবে আমাদের টাকার হাতছানি থেকে সরে আসতে হবে। এটাও ঠিক যে আমাদের তরুণেরা ভালো করছে। ওদের বলতে চাই, তোমরা অনেক প্রতিভাবান। টাকার চেয়ে গানকে বেশি ভালোবাসো।

Related articles

Recent articles

spot_img