1.5 C
New York

আবিদার স্কুলের প্রথম দিনটাই দুনিয়াতে কেন শেষ দিন?

Published:

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সড়কে মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হচ্ছে বিপুলসংখ্যক শিশু। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানাচ্ছে, ২০২৩ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে প্রায় ১ হাজার ১২৮ শিশু। আগের বছর মারা যায় ১ হাজার ১৪৩ শিশু। স্কুলে যেতে গিয়ে কিংবা স্কুল থেকে ফেরার সময় কিংবা বাড়ির সামনে খেলতে গিয়ে শিশুরা জীবন হারাচ্ছে।

শুধু সড়ক বলছি কেন, ডেঙ্গুর কথা যদি বলি। গত কয়েক বছরে ডেঙ্গুতে যত মানুষ মারা গেছে, তার বিশাল একটা অংশ শিশু। সমাজ, রাষ্ট্র, পরিবারের বড়রা বাস্তবে শিশুদের রক্ষায় কী করছে? ঢাকায় মতিঝিল-উত্তরা রুটে মেট্রোরেল চালু হওয়ার পর অন্তত ঢাকার সড়কে খানিকটা হলেও শৃঙ্খলা আনার মোক্ষম সুযোগ কি আসেনি। মেট্রোরেলের কারণে ঢাকার অন্তত দুটি রুটে যানবাহনের চাপ কমেছে। সামগ্রিকভাবে ঢাকার যানজটের ওপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অপেক্ষাকৃত কম সময় লাগছে যাতায়াতে।

একটা ব্যবস্থা যখন শিকড় গেড়ে বসে, তা রাতারাতি বদলে ফেলা যায় না। কিন্তু কোথাও না কোথাও থেকে তো শুরু করতে হয়। সড়কে যানবাহন, পথচারী, ট্রাফিক পুলিশ যে সিগন্যাল মানে না কিংবা ভুল সিগন্যালে চলে, তা থেকে বেরিয়ে আসার একটা উদ্যোগ কি কেউ নেবে না। বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে? ডিএমপি কমিশনার কিংবা ঢাকার মেয়ররা কখনো কি অফিস শুরুর সময়টাতে কিংবা ছুটির শেষে ঢাকার কোনো মোড়ে কোনো দিন সাধারণ পথচারীর সঙ্গে রাস্তা পার হওয়ার ঝুঁকি নিতে পারবেন? যদি এক দিন সেই ঝুঁকি নিতে পারেন, তাহলে অনেক বদলের সূচনা সেদিনেই হতে পারে।

Related articles

Recent articles

spot_img