4.2 C
New York

আজিজুল হক কলেজ কেন ‘আপন-আপন লাগে’

Published:

মাসুদ আল আমিন, আব্দুল আলিমের মতো প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাই বর্তমান শিক্ষার্থীদের প্রেরণা। তবে অনেক শিক্ষার্থীই হয়তো জানেন না, একসময় এই কলেজেরই শিক্ষার্থী বা শিক্ষক ছিলেন আরও কত গুণীজন।

সরকারি আজিজুল হক কলেজে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছেন বহুভাষাবিদ ও দার্শনিক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে এ কলেজের বেশ কয়েকজন ছাত্র শহীদ হন। শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন সাহিত্যিক শাহেদ আলী, কবি আতাউর রহমান। এ ছাড়া কণ্ঠশিল্পী শওকত হায়াত খান, কবি মহাদেব সাহা, ভাষাসৈনিক গাজীউল হক, বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক ড. আনোয়ার হোসেন, জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক ড. এনামুল হক, শিক্ষক মমতাজুর রহমান তরফদারসহ অনেক গণ্যমান্য এই কলেজে পড়েছেন।

৮৬ বছরের গৌরব ও ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে আজিজুল হক কলেজের পুরোনো ভবন। এখানে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পাঠদান কার্যক্রম চলে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আবাসনের জন্য আছে ফখরুদ্দিন আহমদ হল।

অন্যদিকে কলেজের নতুন ক্যাম্পাসে দৃষ্টিনন্দন প্রশাসনিক ভবন, কলা ভবন, চারতলা বিজ্ঞান ভবন, পাঁচতলা ব্যবসায় শিক্ষা ভবন, দোতলা গ্রন্থাগার ছাড়াও চালুর অপেক্ষায় আছে বহুতলবিশিষ্ট অত্যাধুনিক একাডেমিক ভবন। ১০০টি শ্রেণিকক্ষ ও ১৮টি গবেষণাগারে পাঠদান যে পুরোদমেই চলে, বোঝা গেল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে।

রসায়ন বিভাগের তৃতীয় বর্ষে পড়েন সাদিয়া শারমিন। তিনি বলছিলেন, ‘আমাদের ল্যাব ক্লাসগুলোতে অনেক কড়াকড়ি। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ক্লাস হয়। শিক্ষকেরা খুবই ভালো। আমাদের খুব সাহায্য করেন, অনুপ্রেরণা দেন। আমার ইচ্ছা ছিল ডাক্তার হব। মেডিকেলে চান্স না পেয়ে একটু ভেঙে পড়েছিলাম। তবে এখন আর আফসোস করি না। একসময় আজিজুল হক কলেজেই উচ্চমাধ্যমিকে পড়েছি। তাই সব মিলিয়ে ক্যাম্পাসটা কেমন “আপন-আপন”লাগে!’

Related articles

Recent articles

spot_img