9 C
New York

আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীর কৌশল নিয়ে নাখোশ দলীয় প্রার্থীরা 

Published:

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের মত হচ্ছে, স্বতন্ত্র কৌশলের পেছনে দুটি লক্ষ্য কাজ করেছে। প্রথমত, একসঙ্গে অনেক প্রার্থী নামিয়ে দিয়ে নির্বাচনের একটা আবহ তৈরি করে বিএনপিসহ বিরোধীদের অবরোধ কর্মসূচি ভোঁতা করে দেওয়া।

 দ্বিতীয়ত, ১৭ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার পর্যন্ত ঝুঁকি দেখছে আওয়ামী লীগ। কারণ, জাতীয় পার্টি ও অন্য কোনো দল যদি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে, তখন নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতা হারাবে, ভোটার উপস্থিতি কমে যাবে। এটাকে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে তা মোকাবিলা করার জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী রাখা হচ্ছে। 

আওয়ামী লীগের সূত্রগুলো বলছে, ১৭ ডিসেম্বরের পর স্বতন্ত্র কৌশলে কিছুটা বদল আসতে পারে। তবে সেই বদলটা কী, তা এখনো স্পষ্ট নয় নেতাদের কাছে। কেউ কেউ মনে করেন, এমন একটা নির্দেশনা আসতে পারে যে দলের পদধারী কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারবেন না। এমন নির্দেশনা এলে অন্তত অর্ধেক স্বতন্ত্র প্রার্থী বাদ পড়তে পারেন। তবে সবাই এ নির্দেশনা মানবেন কি না, সেই আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রে বলা আছে, জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কেউ দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হলে সরাসরি বহিষ্কার হবেন।

কিন্তু অতীতে স্থানীয় সরকারব্যবস্থার নির্বাচনে বহিষ্কার করার পরও প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি অধিকাংশ স্বতন্ত্র প্রার্থী। সর্বশেষ গত মে মাসে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী আজমত উল্লা খানের বিপক্ষে স্বতন্ত্র দাঁড়িয়ে জয়ী হন সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের মা জায়েদা খাতুন। জাহাঙ্গীর আলমকে দল থেকে বহিষ্কার করার পরও তিনি দমে যাননি।

Related articles

Recent articles

spot_img