27.4 C
New York

আইফোন চুরি করে ব্যাংক থেকে সাড়ে ২৮ লাখ টাকা তুলে নেন তাঁরা

Published:

সাইদুল বলেন, ৫ নভেম্বরও নম্বর বন্ধ পান তিনি। এদিন বেলা ১১টার দিকে বাদামতলীর অফিসে বসে তিনি তাঁর ল্যাপটপ চালু করেন। জিমেইল অ্যাকাউন্ট খুলতে গিয়ে দেখেন, ৩৬ ঘণ্টা আগে পাসওয়ার্ড পাল্টানো হয়েছে। তখন তাঁর সন্দেহ হয়। তিনি অফিসের কর্মীকে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ইসলামপুর শাখায় তাঁর ব্যাংক হিসাবের বিবরণী তুলতে পাঠান। বিবরণীতে দেখা যায়, হিসাব থেকে ১২ লাখ ৮৩ হাজার টাকা বিভিন্ন বিকাশ নম্বরে পাঠানো হয়েছে। পরে তিনি অন্যান্য ব্যাংকে থাকা তাঁর হিসাবের খোঁজ নেন। দেখেন, ইসলামী ব্যাংকের সদরঘাট শাখার হিসাব থেকে ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৫৩০ টাকা, ঢাকা ব্যাংকের বাদামতলী উপশাখার হিসাব থেকে ৩০ হাজার টাকা বিকাশ নম্বরে পাঠানো হয়েছে। ২ নভেম্বর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত এই টাকা তুলে নেয় চোর।

সাইদুল বলেন, তিনি ৫ নভেম্বর কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করতে যান। ৭ নভেম্বর দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় (চুরির অভিযোগ) অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নামে মামলা নথিভুক্ত করে পুলিশ। মামলায় মুঠোফোনের মূল্যসহ মোট চুরির পরিমাণ ধরা হয় ২৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। এই মামলায় গত ২০ নভেম্বর ৬ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের কথা জানায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ।

সাইদুল বলেন, গ্রেপ্তার ছয়জনের মধ্যে দুজনের (জহির ও জাকির) কেরানীগঞ্জের আরশিনগরের বাসায় গত ২১ নভেম্বর অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানকালে তিনি পুলিশের সঙ্গে ছিলেন। অভিযানকালে বাসাটিতে জহিরের স্ত্রী ও শিশুসন্তান ছিল। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জহির বলেন, বাসায় থাকা নতুন আসবাবপত্র চুরির টাকায় কিনেছেন। জহিরের শ্যালক জাকির বলেন, তিনি তাঁর ভাগের ৬ লাখ টাকা মাকে পাঠিয়েছেন। পুলিশ মুঠোফোন লাউডস্পিকারে রেখে জাকিরকে তাঁর মাকে ফোন দিতে বলে। জাকিরের মা ফোনে বলেন, তিনি টাকা দেবেন না। পুলিশ আর কত দিন জাকিরকে আটকে রাখতে পারবে!

সাইদুল বলেন, তিনি এখন পর্যন্ত কোনো টাকা ফেরত পাননি।

Related articles

Recent articles

spot_img